বাংলা, বাঙালি, শিল্প ও মহাকাব্যে মেধাবী গতায়াত ‘খোয়াবনামা’র পরিবেশনায়

0
1158
khawabnama

বিস্মৃত বাঙালির সিরিজের প্রথম বই ‘‌প্রিন্স গোবর গোহ’‌

gobor-gohoদেশে তো বটেই, এমনকি বিদেশের মাটিতে দুনিয়ার ডাকসাইটে কুস্তিগিরদের চিৎপাত করেছিলেন গোবর। তার জন্য খ্যাতি যেমন জুটেছে, তেমন চক্রান্তেরও শিকার হয়েছেন। বিদেশে জল্পনার শেষ ছিল না মহাকায় এই ‘‌হিন্দু’‌ কুস্তিগিরকে নিয়ে। বিশাল বপু মানে ঘটে বুদ্ধি কিছু নেই, এই ভুল ধারণাকেও নস্যাৎ করেছিলেন গোবর গোহ। দেশি–বিদেশি সাহিত্য, সমাজ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানে তাঁর জ্ঞান মুগ্ধ করেছিল শ্বেতাঙ্গদের। অন্যদিকে ছিলেন প্রবল গান্ধিবাদী, দেশভক্ত। অতি সাধারণ জীবন, কিন্তু অসাধারণ, মহোত্তর জীবন–দর্শনের দৃষ্টান্ত হয়ে থেকেছেন আজীবন।এমন একজন আন্তর্জাতিক বাঙালিকে ভুলে যাওয়াটা বাঙালির লজ্জা!‌ এই বইটি প্রকাশ করার মধ্য দিয়ে খোয়াবনামা চেষ্টা করেছে ওই অনন্য বাঙালিকে সমসাময়িক স্বীকৃতি আর সম্মানের আলোকবৃত্তে ফের নিয়ে আসার।

বিস্মৃত বাঙালি

প্রিন্স গোবর গোহ

লেখক: শীর্ষ বন্দ্যোপাধ্যায়

মূল্যঃ ১০০

খোয়াবনামা, বইমেলা স্টল নাম্বার- ৩৭৫

বাদল সরকারের রূদ্ধশ্বাস সাক্ষাৎকার

Sab-Cheye-Sasta badal sarcar

শুধু বাংলা নয় গোটা ভারতবর্ষ তো বটেই এমনকি বিশ্বনাট্য অঙ্গনে সোচ্চারে উচ্চারিত এক নাম বাদল সরকার। নাট্যচর্চায় এক বিকল্প চিন্তার নাম বাদল সরকার। নাট্যজগতে পরতে পরতে বির্তকের নাম বাদল সরকার। যার সম্পর্কে আর নাট্যকার এবং অভিনেতা উৎপল দত্ত বলেছিলেন- ‘লোকেটা থিয়েটার করতে জানে না। তাই শারিরীক কসরত দেখিয়ে আসর দখল করতে চাইছে।’ যদি এর কোনো কিছুই তাকে দমাতে পারেনি। প্রসেনিয়াম থিয়েটার ছেড়ে মাটিতে নেমে এসে মানুষের ভীড়ে মিশে যখন ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন নাটক, প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছিল তাঁর সেই নাট্য আন্দোলন বা নাট্য আদর্শ। যাকে তিনি বলতেন ‘থার্ড থিয়েটার’। গড়েছিলেন দল শতাব্দী। তার পর মঞ্চের আলো-ছায়া বৃত্ত ছেড়ে নাটক নিয়ে ছড়িয়ে পড়েছিলেন পথে-ঘাটে-মাঠে-প্রান্তরে। কার্জন পার্কে তার ‘মিছিল’ দেখতে জড়ো হয়েছিলেন দশ হাজার মানুষ।
বাইরে তখন ‘বাদল উৎসব’ চলছে। অমল পালেকরের মতন দেশের বিশিষ্ট নাট্যকার-অভিনেতারা জড়ো হচ্ছেন কলকাতায়। আর ভেতরে লিকার চা আর ইনহেলার নিয়ে নির্লিপ্তভাবে প্রায় নিঃশব্দে বিস্ফোরণ ঘটালেন তিনি। সেই ঐতিহাসিক বিস্ফোরণের সাক্ষী এই বই।
প্রকাশকঃ ঊনজন the minority
একটি খোয়াবনামা উদ্যোগ
মূল্য- ১৫০

খোয়াবনামা, বইমেলা স্টল নাম্বার- ৩৭৫

Prince_Dwarakanath

ছেলেবেলা থেকে একটা চালু গল্প শুনে এসেছি আমরা। প্রিন্স দ্বারকানাথ ‘প্রিন্স’ হয়েছিলেন টাকা উড়িয়ে আর বাবুগিরি করে; মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ মহর্ষি হয়েছেন সাধনা করে। দ্বারকানাথ গত হয়েছিলেন এক কোটি টাকা (সেকালে!) ঋণ রেখে; তাঁর পুত্র ‘মহর্ষি’ সে ঋণ পরিশোধ করেন সর্বস্ব দিয়ে।

ছেলেবেলার শোনা গল্পকে যদি কেউ সারাজীবনেও প্রশ্নের আতশকাচের নীচে না রাখেন -তাহলে তাঁর আর বড় হওয়া হয় না। এ প্রসঙ্গে যে প্রশ্নটা মাথায় আসে সেটা নেহাৎ সাদামাটা অর্থনৈতিক প্রশ্ন – ‘দেবেন্দ্রনাথ এই বিপুল ঋণ শোধ করলেন কী উপায়ে?’

এই সাধারণতম প্রশ্নটার উত্তর খুঁজতে গিয়েই আমার সন্ধান মিলল এক বিচিত্র, দ্বিধাগ্রস্ত, দিগ্বিজয়ী অথচ ব্যথাতুর, হিংস্র কিন্তু পরম উদার এক মহাপুরুষের বিবর্ণ বিস্মৃতপ্রায় গ্যালারি। দ্বারকানাথ ঠাকুর। খুব যত্ন করে তাঁর বহুবর্ণ জীবনকে মুছে দিয়েছিলেন তাঁর উত্তরপুরুষেরা;

কিন্তু কেন? কেন এই গোপনীয়তা?

প্রিন্স দ্বারকানাথ

রাজা ভট্টাচার্য

খোয়াবনামা, বইমেলা স্টল নাম্বার- ৩৭৫

বাঙালির মদ্য পান এবং মাতলামির ইতিহাস

MOD

আপনি কি মদ খান?
তাহলে এ বই আপনার জন্য
আপনি কি মদ খান না?
তাহলে এ বই আপনার জন্য
ডাক্তার কি মদ খাওয়া ছাড়তে বলেছে কি ভাবছেন?
তাহলেও এ বই আপনার জন্য
আপনি কি জানতে চান মদ খেলে মানুষ কি করে?
তাহলেও এই বই আপনার জন্য
আপনি কি জানতে চান সেকালে মদ নিয়ে কি হত?
তখন কার দিনে তো আর ফস করে মদ কিনেই প্লাষ্টিকের বোতলের ভেতরে মদ নিয়ে কোলড্রিঙ্কের মধ্যে মিশিয়ে ফস করে রাস্তার ধারে বা গাড়ির মধ্যে বা দিঘার সমু্দ্রের মধ্যে বসে মদ খাওয়ার উপায় ছিল না..কারণ তখন না পাওয়া যেত লিমকা,স্প্রাইট না পাওয়া যেত পেপসি কোক. ছিল না বাড়িতে থেকে দু’পা এগোলেই মদ্যপানের বার..কিন্তু তা বলে কি মদ খাওয়া বন্ধ থাকে..কভি নেহি…কখন্নো নয়…তাহলে কি ভাবে হত সেকালে মদ খাওয়া…বার না থাক বাবুদের বারবাড়ি তো ছিল….আসর বসত সেখানে…কি হত সেই আসরে
জানতে হলে এই বই সংগ্রহ করতেই হবে…এক কথায় যাকে বলে বাঙালির মদ্যপান এবং মাতলামির ইতিহাস
সাড়ে তিনশ শব্দের বুৎপত্তি গত অর্থ এবং টিকা- টিপ্পনী সহ
টেকচাঁদ ঠাকুর প্রণীত 
শ্রুত্যানন্দ ডাকুয়া সম্পাদিত
মদ খাওয়া বড় দায় জাত থাকার কি উপায়

খোয়াবনামা, বইমেলা স্টল নাম্বার- ৩৭৫

bas

মহাভারত যতটা আর্কষণীয় কম আর্কষণীয় নয় তার সষ্ট্রার জীবন।  মহাভারতের আদি গ্রন্থের নাম জয়। একই সঙ্গে বেদব্যাস কারো নাম নয়। বৈদিক যুগে যাঁরা বেদ- গবেষণা করতেন তাঁরাই ছিলেন বেদব্যাস। বেদব্যাসের ভেতরে কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন যেমন বেদ-গবেষণা ছাড়াও মহাভারতের আদি গ্রন্থ জয় রচনা করেছিলেন। তারপর হাজার হাজার বছর ধরে বিভিন্ন জ্ঞান তপস্বীর পরিশ্রমের ফল মহাভারত।

মহাভারত ও অন্যান্য পৌরাণিক গ্রন্ধে ব্যাসের জীবন সম্পর্কে যেটুকু তথ্য পাওয়া যায় তা একটি চিত্র সৃষ্টির জন্য যথেষ্ট নয়। দর্শন, ধর্ম, রাজনীতি ইত্যাদি জীবনের গভীর প্রসঙ্গে মহাভারতে তাঁর বহু দীর্ঘ ভাষণ রয়েছে। কিন্তু তাঁর ব্যাক্তি জীবন সম্পর্কে কিছুই নেই। তিনি সংকট কালে আর্ভিভূত হন,জ্ঞানদান করেন এবং নিষ্ক্রান্ত হন, এই পর্যন্তই। তাঁর এবং তাঁর পুত্র শুকের জীবনবৃত্তান্ত, অপুত্রক হস্তিনাপুর রাজপরিবারের জন্য পুত্র উৎপাদন, শুকের আত্মজ্ঞান লাভের জন্য সর্বস্বত্যাগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বাৎসল্যের তীব্র প্রকাশ ইত্যাদি দু-একটি কাহিনি ছাড়া আভাস ইঙ্গিত বা সংকেতের মতো সমগ্র মহাভারতে ছড়ানো রয়েছে ।

শাহযাদ ফিরদাউস সেই টুকরো আভাসগুলোকে সংগ্রহ করে একটি পূর্ণাঙ্গ চরিত্র সৃষ্টি করেছেন। কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাসের জীবন নিয়ে সম্ভবত কোনো ভাষাতে কোনও গ্রন্থ পাওয়া যায় না।  ব্যাসদেবের জীবন ও দর্শনের ওপর আলোকপাত করতেই রচিত এই গ্রন্থ।

ব্যাস

শাহযাদ ফিরদাউস

মূল্যঃ ৩০০

খোয়াবনামা, বইমেলা স্টল নাম্বার- ৩৭৫

বইমেলার পরও বইগুলি পেতে যোগাযোগ করুন: ৯৮০৪৮৭৯৯৩৭

 

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here