প্রথম বছরেই উৎসাহের ঢল বরানগর ম্যারাথনে

0
173

বরানগর (উঃ ২৪ পরগনা): ক্রীড়াজগতে ‘অ্যাথলেটিক্স’ বলে একটি ইভেন্ট আছে সেটা বোধহয় আমরা ক্রমশ ভুলতে বসেছি। কারণ? এ যাবৎকালে ‘অ্যাথলেটিক্স’-এ তেমন কোনো সাফল্য নেই। তাই এই ক্রীড়াকে উৎসাহ দেওয়ার মতো কোনো স্পনসরের হুড়োহুড়ি নেই। অথচ এই বাংলার বহু ছেলেমেয়ে ছোটো থেকে অ্যাথলেটিক্সের মতো ক্রীড়ার সঙ্গেই যুক্ত হয়। বিশেষ করে ‘লং ডিসট্যান্স’ দৌড়ে। রীতিমতো নিষ্ঠা ভরে ‘প্র্যাকটিস’ করে। কিন্তু বেশির ভাগেরই লক্ষ্য শেষ হয়ে যায় একটি চাকরি পাওয়াতে। পুলিশ, মিলিটারি, রেল, শুল্ক বিভাগ ইত্যাদিতে এখনও জেলা কিংবা জাতীয় স্তরে সাফল্য পেলে চাকরি মেলে। অন্তত কিছুটা সুবিধা হয়। এগিয়ে থাকা যায় অন্যান্য চাকরিপ্রার্থীর থেকে।

রবিবার বনহুগলি যুবক সংঘ আয়োজিত প্রথম বরানগর ম্যারাথনের পুরস্কার প্রদান মঞ্চে দাঁড়িয়ে আক্ষেপটা করে ফেললেন অর্জুন পুরস্কার জয়ী অলিম্পিয়ান সোমা বিশ্বাস। এশিয়ান গেমসে দু’বার রুপো জিতেছেন। তিনি মঞ্চে দাঁড়িয়ে উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি ধন্যবাদ দিলেন স্পনসরকেও। কারণ ক্রিকেট, ফুটবলের দাপাদাপির মাঝে স্পনসরদের আগ্রহ নেই অ্যাথলেটিক্সে। তা সত্ত্বেও বরানগর ম্যারাথনে আগ্রহ সত্যিই ‘ধন্যবাদ’-এর অপেক্ষা রাখে না।

বনহুগলি যুবক সংঘের সম্পাদক শঙ্কর রাউত জানালেন, ‘‘সবাই তো ক্রিকেট, ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করে, কিন্তু ম্যারাথন রেসের আয়োজন করার আগ্রহ চোখে পড়ে না। সে কারণে আমরা এই ম্যারাথন রেসের আয়োজন করেছি।’’

প্রথম বছর প্রতিযোগীর সংখ্যা ছিল পুরুষ-মহিলা মিলিয়ে ৫০০ জন। মহিলাদের জন্য ৫ কিলোমিটার এবং পুরুষদের জন্য ১০ কিলোমিটার দৌড়ের আয়োজন করা হয়েছিল। শুধু উত্তর ২৪ পরগনা জেলা থেকে নয়, সুদূর মুর্শিদাবাদ থেকেও প্রতিযোগী এসেছিলেন এই ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করতে।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here