৫০ বছরে বনহুগলি যুবকবৃন্দ নিয়ে এল বৈদিক প্ল্যানেটরিয়াম

0
283
banhooghly puja
smita das
স্মিতা দাস

বিশ্বময় সৌভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে তুলে ধরতে বৈদিক তারামণ্ডলের ভাবনাকে পুজোর মণ্ডপে স্থাপন করেছে বনহুগলি যুবকবৃন্দ। মায়াপুরের বৈদিক প্ল্যানেটরিয়াম সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডকে একটা স্থাপত্যের মধ্যে স্থাপন করতে চলেছে। সেই ভাবনায় অনুপ্রাণিত হয়েই এই থিমকে বেছে নিয়েছেন যুবকবৃন্দের থিমশিল্পী আবীর ভট্টাচার্য।

আবীরবাবু জানান, ৫০-এই প্রথম থিমে পা। এর আগে দুর্গামন্দিরে সাবেক প্রতিমাই পূজিত হতেন। কিন্তু পঞ্চাশে সবাইকে একটা চমক দিতে এই আয়োজন।

তিনি বলেন, বৈদিক প্ল্যানেটরিয়াম সম্পূর্ণ ভাবেই বৈদিক ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ। এই তারামণ্ডলটা এশিয়ার মধ্যে উচ্চতম স্থাপত্যকীর্তিতে পরিণত হতে চলেছে। মূল মন্দিরের উচ্চতা ১১৩ মিটার। সেই পরিমাণ উচ্চতা বা আয়োজন হয়তো নেই এই মণ্ডপে। হয়ত সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের আধ্যাত্মিক শক্তিকে এক জায়গায় স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু আছে তার থেকেও বড়ো, মনের বাসনা। তাই হিন্দু মুসলিম শিখ শুধু নয়, বিশ্বের সব ক’টি ধর্মের কথা মাথায় রেখে, মণ্ডপসজ্জায় উঠে এসেছে বিভিন্ন ধর্ম-সংস্কৃতির শিল্পকর্ম। যেমন মণ্ডপের চূড়ায় রাশিয়ান স্থাপত্য, চূড়ার ওপর তিন কলস আর সুদর্শন চক্র, মূল স্তম্ভ আর মূর্তিতে রোমান স্থাপত্যের স্পর্শ আর মণ্ডপের ভেতরে রাজস্থানি, গ্রিক স্থাপত্যের কারুকার্য। সঙ্গে একচালা সাবেক প্রতিমা।

মণ্ডপসজ্জায় ব্যবহার করা হয়েছে প্লাই, ফাইবার গ্লাস, নানা রকমের পেন্টস ইত্যাদি।

durga idol at bonhoogly jubokbrindaপুজোর সম্পাদক সমর কুমার ঘোষ বলেন, অন্যান্য বার বাজেট থাকে মাত্র ৫ লক্ষ টাকা মতো। সেখানে এই বার সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষ পালন করতে বাজেট বাড়ানো হয়েছে অনেকটাই। এ বারে বাজেট ১৫ লক্ষ টাকার মতো।

বলেন, এ বারের প্রতিমাশিল্পী জিতেন পাল অ্যান্ড সন্স। মণ্ডপনির্মাণে আছে লোকনাথ ডেকরেটর্স ও আশা ডেকরেটর্স। আলোকসজ্জায় আছে চাঁপাডাঙার সন্তোষী মা ইলেকট্রিক, বরানগরের কমল ইলেকট্রিক। আবহে সান্ট ইলেকট্রিক।

আজ চতুর্থীর দিন ৫০ জনকে সম্মান জ্ঞাপনের মধ্যে দিয়ে হল পুজোর সূচনা।

বরানগর মিউনিসিপ্যালিটি বাসস্টপে নেমে সমাজসদন দুর্গামণ্ডপের পুজো।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here