ওয়েবডেস্ক: অবশেষে কি স্বস্তি?

বলা মুশকিল। কেন না, সেন্সর বোর্ডের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরেই মেনে নিয়েছেন ‘পদ্মাবৎ’ নির্মাতারা। বোর্ড যা যা দাবি করেছিল, তার সবকটা মেনেই ছবিটিকে দর্শক-ভাবাবেগের অনুকূল করে তোলা হয়েছে। যার ভালো মতোই টের পাওয়া গেল, যখন ‘ঘুমর’ গানটির নতুন ভিডিও প্রকাশ করলেন ছবিটির নির্মাতারা।

‘ঘুমর’ নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন সেন্সর বোর্ড প্রধান প্রসূন জোশী, ইতিহাসবিদ এবং রাজস্থানের রাজপুরুষরা- এক রানি কখনই আর পাঁচজন মেয়ের সঙ্গে প্রকাশ্যে নাচবেন না। আর যদি বা নাচেনও, সে ক্ষেত্রে তাঁর শরীরের কোনো অংশই অনাবৃত থাকার কথা নয়। ‘ঘুমর’ গানটির সাজপোশাকে নায়িকা দীপিকা পাড়ুকোনের কোমরের অনেকটাই অনাবৃত ছিল- এই অভিযোগেই আক্রমণের যুক্তি শানান তাঁরা।

সেই যুক্তি মেনে নিয়ে সিজিআই প্রযুক্তির সাহায্যে রানি পদ্মাবতীর কোমরের অনাবৃত অংশ ঢেকে দিয়েছেন ছবির নির্মাতারা। সঙ্গে গানটির আর যে অংশ নিয়ে আপত্তি তোলা হয়েছিল, কেটে বাদ দেওয়া হয়েছে তা-ও! তার পরে কেমন চেহারা নিল ‘ঘুমর’? দেখে নিন উপরের ভিডিওয়!

তবে সেন্সরের নির্দেশ পালন করেও আর অস্বস্তি কাটল কই! এক দিকে যখন শীর্ষ আদালত সব রাজ্যেই ছবিটির মুক্তির নির্দেশ দিল, অন্য দিকে তখন শীর্ষ আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানানোর সিদ্ধান্ত নিল রাজস্থানের শ্রী রাজপুত কর্নি সেনা। দলভুক্ত ক্ষত্রিয় রমণীদের তরফ থেকে এল শাসানি- ‘পদ্মাবৎ’ মুক্তি পেলে তাঁরা সবাই, সাকুল্যে প্রায় ২০০ জন, জহর ব্রত পালন করে প্রাণত্যাগ করবেন! সঙ্গে মেবাড়-রাজপুরুষ মহারানা মহেন্দ্র সিং মেবাড় এক চিঠি পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে।

mewar
mewar

কী লেখা আছে সেই চিঠিতে? সরাসরি পড়ে নিন উপরে।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here