৪০-এ কী খাবেন আর কী খাবেন না

0
4656

ওয়েবডেস্ক: চল্লিশের কোটায় যারা ঢুকতে চলেছেন বা ইতিমধ্যেই ঢুকে পড়েছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে কয়েকটা কথা। চল্লিশ মানেই কিন্তু জীবনের অর্ধেকটা শেষ হয়ে যাওয়া নয়। তাই নিজেকে সুস্থ সতেজ রাখতে হলে মানতে হবে সামান্য কয়েকটা নিয়ম। রাখতে হবে শরীরের খেয়াল। এই খেয়াল রাখার তালিকায় যেমন রয়েছে ব্যায়াম, পর্যাপ্ত জল খাওয়া, পরিমাণ মতো ঘুম আর হাসিখুশি থাকার চেষ্টা। তেমনই রয়েছে উপযুক্ত খাবার-দাবার খাওয়ার অভ্যাসও।

নিয়ম করে যে সব খাবার খেলে এই সময়ে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ পাওয়া যাবে তা হল –

দানাশস্য – এই জাতীয় খাবারে ফাইবার, উদ্ভিজ প্রোটিন, বেশ কয়েক রকমের ভিটামিন থাকে। এই সব খাবার শরীরের প্রত্যেক অঙ্গ প্রত্যঙ্গের জন্যই উপকারী। তা ছাড়া ব্ল্যাডসুগার বা রক্ততে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, ওজন নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করে। শরীরে উপকারী ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টিতে কাজে লাগে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। ফলে শরীর সুস্থ ও তরতাজা থাকে।

বিনস – এতে আছে প্রচুর পরিমাণ অ্যামাইনো অ্যাসিড, প্রোটিন। এ সব শরীরে অ্যন্টিঅক্সিডেন্ট তৈরি করে। বিনস-এর খাদ্যগুণ কার্ডিওভাসকুলারে আক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এতে উপস্থিত ফোলেট, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি এনার্জি বাড়ায়, অ্যানিমিয়া আর ক্যানসারের প্রবণতা কমায়।

আখরোট – ভিটামিন ই, মেলাটোন, স্বাস্থ্যকর তেলজাতীয় উপাদান, অ্যন্টিঅক্সিডেন্ট, অমেগা-৩ আছে আখরোটে। এই উপাদানগুলি কার্ডিওভাসকুলার রোগ হতে দেয় না।

গ্রি টি – দুধ চা নয়। লিকার বা লাল চাও নয়। দরকার গ্রিন টি। সুস্থ থাকতে গ্রি টি খাওয়া ভালো। এতে আছে অ্যন্টি অক্সিডেন্ট। তাই নিয়মিত গ্রিন টি খেলে কার্ডিও ভাসকুলার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। হার্ট অ্যাটাক, রক্তচাপ-সহ নিয়ন্ত্রণ করা যায় অনেক সমস্যাই।

বেগুন – খাবার তালিকায় রাখুন বেগুন। এতে আছে প্রচুর পরিমাণ খাদ্যগুণ। ১৩ রকমের ফেনোলিক অ্যাসিড আছে বেগুনে। এই অ্যাসিড ক্যানসার অক্রমণের হাত থেকে রক্ষাকবচ গড়ে তোলে। ক্যানসারাস টিউমার তৈরি হতে দেয় না।

পেয়ারা – ভিটামিন সি সমৃদ্ধ পেয়ারা। যে কোন রকম ইনফেকশনের ক্ষেত্রে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। প্রোস্টেট ক্যানসারের প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও পেয়ারা দারুণ উপকারী। এতে আছে পটাশিয়াম। পটাশিয়াম হৃদপেশিকে শক্ত করে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

শাকপাতা – প্রচুর পরিমাণে খান শাকপাতা। চুল আর ত্বকের সমস্যা নিরাময় করতে সাহায্য করে শাকপাতা খাদ্যগুণ।

তেল – তেল যে সম্পূর্ণ বর্জনীয় তা নয়। কিছু পরিমাণ তেল খাওয়া উচিত। কারণ তাতে থাকে ভিটামিন এ, ডি, ই, কে। এই খাদ্যগুঙুলি শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়। তা ছাড়াও জরুরি ফ্যাটি অ্যাসিড কোষকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। এই ক্ষেত্রে খাওয়া যেতে পারে, পিনাট, অলিভ অয়েল।

দুধ – দুধ ছোটোদের জন্যই নয়, বড়োদের জন্যও উপকারী। এতে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল। হৃদরোগ প্রতিরোধে, হাড় শক্ত রাখতে ৪০ ঊর্দ্ধদের জন্য দুধ দারুণ উপকারী।

ডার্ক চকোলেট – জানলে খুশি হবেন ডার্ক চকোলেট রয়েছে স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকায়। এর খাদ্যগুণ রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখে ডার্ক চকোলেট। এর সঙ্গে আর একটা বিষয়েরও যোগ রয়েছে। তা হল মেজাজ ঠিক রাখে। তবে মাথায় রাখা ভালো ডার্ক চকোলেটে ক্যালোরির পরিমাণ বেশি। তাই অতরিক্ত মাত্রায় না খেয়ে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রেখে খাওয়াই মনে হয় বুদ্ধিমানের।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here