বিশ্ব হাঁপানি দিবসে বিশেষজ্ঞদের কিছু পরামর্শ

0
126

খবর অনলাইন: ভারতে দেড় থেকে দু’ কোটি মানুষ হাঁপানিতে ভোগেন। এই হিসেব বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তথা হু-র। হু-র হিসেব অনুসারে ভারতের মোট জনসংখ্যার ২৫ শতাংশ অ্যালার্জিতে ভোগেন, আর এর ৫ শতাংশ হাঁপানি রোগী। ২০২৫ সাল নাগাদ সারা বিশ্বে আরও ১0 কোটি মানুষ হাঁপানিতে আক্রান্ত হবেন।

যে কোনও বয়সেই হাঁপানি হতে পারে। তবে সাধারণত কম বয়সেই এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। মাঝেমাঝেই শ্বাসকষ্ট আর নিশ্বাসের সঙ্গে সাঁই সাঁই শব্দ এই রোগের সাধারণ চিহ্ন। কেন হাঁপানি হয় তা নির্দিষ্ট করে বলা মুশকিল। তবে এই রোগের পিছনে বংশগত ও পরিবেশগত কারণ আছে। গুড়গাঁওয়ের এক হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডাঃ অনশুম অনেজা অরোরা বলেন, দশ লক্ষেরও বেশি লোক হাঁপানিতে ভুগছেন। সব বয়সেই এই রোগ হতে পারে। বিশ্বের পরিবেশে পরিবর্তনের ফলে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। বায়ুদূষণ বাড়ছে, বাড়ছে বাতাসে ভেসে থাকা ধূলিকণার পরিমাণ। নিয়মিত ভাবে স্পিরোমেট্রি পরীক্ষা করলে ও ওষুধ খেলে আরও জটিলতা ঠেকিয়ে রাখা যায়।

আজ মঙ্গলবার বিশ্ব হাঁপানি দিবস। এই উপলক্ষে হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিজ্ঞাপন

(১) নিয়মিত ব্যায়াম – বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম করবেন। আপনার যে ব্যায়াম করা উচিত সেটাই করবেন। তবে রোজ অন্তত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট ঘাম ঝরিয়ে ব্যায়াম করবেন।

(২) স্বাস্থ্যকর খাবার – সুষম খাদ্য খান। প্রসেসড খাদ্য এড়িয়ে চলুন। আপনার কোনও খাবার থেকে অ্যালার্জি হয় কিনা পরীক্ষা করে দেখুন।

(৩) দূষিত অঞ্চল এড়িয়ে চলুন — দূষিত অঞ্চলে মাস্ক পরুন। ফুলের রেণু, পাখির বিষ্ঠা, রঙের গন্ধ এড়িয়ে চলুন।

(৪) ধূমপান ছাড়ুন – আপনার যদি হাঁপানি থাকে, তা হলে ধূমপানে তা আরও বাড়বে।

(৫) ভিটামিন নিন – নিজের রোগপ্রতিরোধী ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন নিন। লক্ষ রাখুন, মরশুমের পরিবর্তন হলেই যেন সর্দিকাশিতে না ভোগেন।

(৬) এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করুন — এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করলে বাড়ির বাতাস পরিচ্ছন্ন থাকে। অনেক সময় ঘরের ভেতরের বায়ুদূষণ পরিস্থিতি জটিল করে তোলে। এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করলে এই পরিস্থিতি এড়ানো যায়।

(৭) হাঁপানির ওষুধ খেয়ে যান – হাঁপানির ওষুধ খাওয়া হঠাৎ বন্ধ করে দেবেন না। এতে অ্যালার্জি হতে পারে।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here