মণিপুরে বিধায়ক টানার খেলা, সরকার গড়ার দৌড়ে এগিয়ে বিজেপি

0
186

ইমফল: গোয়ার মতো মণিপুরেও দ্বিতীয় দল হয়ে সরকার গড়ার কাজে এগিয়ে গেল বিজেপি। রাজ্যপাল নাজমা হেপতুল্লার কাছে ৩২ বিধায়কের সমর্থনের দাবি জানাল বিজেপি। দাবির স্বপক্ষে তারা আঞ্চলিক দলগুলির বিধায়কদের সমর্থন-সূচক চিঠিও জমা দিয়েছে।

৬০ সদস্যের বিধানসভায় বিজেপি জিতেছে ২১টি আসনে। তাদের দাবি, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি ও নাগা পিপলস ফ্রন্টের ৪ জন করে বিধায়ক, লোক জনশক্তি পার্টির ১ জন বিধায়ক, তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জেতা টি রবীন্দ্র সিং এবং একমাত্র নির্দল বিধায়ক আশাব উদ্দিন তাদের সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ও দিকে মুখ্যমন্ত্রী ইবোবি সিং-ও রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে সরকার গড়ার দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, একক গরিষ্ঠ দল হিসাবে কংগ্রেসকেই সরকার গড়ার আমন্ত্রণ জানানো উচিত। উল্লেখ্য, ২৮টি আসনে জিতেছে কংগ্রেস।

ও দিকে বিজেপির যে দল রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল, সেই দলে কংগ্রেস বিধায়ক শ্যামকুমার সিং-কে দেখা যায়, যদিও সমর্থকদের তালিকায় তাঁর নাম নেই। এই ঘটনা থেকেই অভিযোগ উঠেছে, বিজেপি দল ভাঙানোর খেলায় নেমে পড়েছে।

ইতিমধ্যে নির্দল এম এল এ  আশাব উদ্দিনকে নিয়ে খেলা জমে উঠেছে। অসমের কাছাড় সীমানা সংলগ্ন জিরিবাম কেন্দ্র থেকে জয়ী আশাব বিমানে গুয়াহাটি থেকে ইমফলে আসেন দুপুর নাগাদ। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী আব্দুল নাসির। নাসির বলেন, ইমফল বিমানবন্দরে সিআইএসএফ (সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স) কর্তাব্যক্তিদের নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ সিং। নাসিরের অভিযোগ, সিআইএসএফ-এর সাহায্যে আশাবকে নিয়ে চলে যান বিশ্বজিৎ।

বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকর্মীরা জানান, নাসির ও বিশ্বজিৎ-এর মধ্যে তাঁকে নিয়ে টানাহ্যাঁচড়া দেখে আশাব ফিরে যেতে চান। তাঁকে একটি ভাড়া করা বিমানে গুয়াহাটি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। 

গোয়া ও মণিপুরের ঘটনা দেখে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম বলেন, গোয়া ও মণিপুরের নির্বাচন ‘চুরি করছে’ বিজেপি। কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং টুইট করে বলেছেন, “জনতার ক্ষমতাকে ছাপিয়ে গেল টাকার ক্ষমতা।” সরকার গড়তে না পারার জন্য তিনি গোয়ার জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here