হিরোর বাইক কিনে পাঁচ বছর পর পুরো দাম ফেরতের আশ্বাস পেলেন এক ক্রেতা! কী ভাবে?

0
6307
hero ignitor 125

অটোডেস্ক: ২০১৩ সালের ৩০ জানুয়ারি হিরোর ১২৫ সিসির ইগনিটর বাইক কিনেছিলেন ওই ক্রেতা। কেনার পরই তিনি বাইকের জ্বালানি খরচ নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েন। দোকানদার তাঁকে বলেছিলেন, যাবতীয় কর সমেত ৭৪,৭৯৬ টাকার ওই বাইক ৬০ কিমি প্রতি লিটারের মাইলেজ দেবে। এমনকী অনলাইনে বিজ্ঞাপনেও সে কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু কেনার সপ্তাহখানেকের মধ্যেই তিনি বুঝতে পারেন, ওই বাইক লিটারে ৩৫ কিমির বেশি দৌড়তে পারছে না।

অগত্যা বেঙ্গালুরুর মঞ্জুনাথ আর নারাগুন দৌড়ান ম্যাজেস্টিক মোবাইক নামের সেই দোকানে, যেখান থেকে তিনি ওই বাইক কিনেছিলেন। শোরুম কর্তৃপক্ষ তাঁকে পরামর্শ দেন, দ্বিতীয় বার সার্ভিস করানোর পরই মাইলেজ ৬০-এ পৌঁছে যাবে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল, ওঠার বদলে তা নেমে গেল আরও।

শোরুমে কাজ হচ্ছে না দেখে মঞ্জুনাথ হিরো মটোকর্পে যোগাযোগ করেন। সেখানে অবশ্য নানান যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করা হয়। মাইলেজ সামান্য বাড়লেও শুরু হয় নতুন বিপত্তি। ইঞ্জিন থেকে কর্কশ আওয়াজ সহ চালানোর ক্ষেত্রেও অবাঞ্ছিত সমস্যা সৃষ্টি হতে থাকে।

নাজেহাল হয়ে ১১ মাস পর, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৩-তে মঞ্জুনাথ হিরো মটোকর্পে চিঠি লিখে জানান, তিনি বাইক ফিরিয়ে দিয়ে তাঁর প্রদেয় টাকা ফেরত পেতে চান। যা হওয়ার তাই হল। হিরো কর্তৃপক্ষ তাঁর আবেদন না-মঞ্জুর করে দিলেন। এরপর তিনি ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪-তে জেলা ক্রেতা সুরক্ষা আদালতে মামলা করলেন হিরো মটোকর্প এবং ওই শোরুমের বিরুদ্ধে।

সেই মামলা চলল প্রায় চার বছর ধরে। গত ২১ ডিসেম্বর আদালত হিরো মটোকর্পকে নির্দেশ দিয়েছে, অবিলম্বে তারা যেন মঞ্জুনাথকে ৭৪৭৯৬টাকা ফেরত দেয়। পাশাপাশি মামলা চালানোর খরচ হিসাবে অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here