বেঙ্গল চেম্বারের বই প্রকাশ বইমেলায় কোস্তা রিকার প্যাভিলিয়নে

0
78

shotabdi (1)শতাব্দী ঘোষ:

“রবীন্দ্রনাথকে জানি, তাঁর সাহিত্য, তাঁর কাব্য সম্পর্কে কিছু জ্ঞান আছে। কিন্তু কবি কাজী নজরুল ইসলামকে এই প্রথম জানলাম। এখানেই রয়েছে এই বইটির গুরুত্ব” — ‘এক্সট্রাঅর্ডিনারি পার্সোনালিটিজ ফ্রম বেঙ্গল’ শীর্ষক বইটির প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই কথা বললেন স্পেনের কবি ফ্রান্সিসকো মুনিয়োজ সোলের। তিনি বলেন, যে কোনো দেশের মনীষী, সাহিত্যিকদের সারা বিশ্বের কাছে চেনানোর জন্য এ ধরনের বই খুবই গুরুত্বপূর্ণ।         

কলকাতা বইমেলার ‘থিম কান্ট্রি’ কোস্তা রিকার প্যাভিলিয়নে প্রকাশিত হল বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিআই) বই ‘এক্সট্রাঅর্ডিনারি পার্সোনালিটিজ ফ্রম বেঙ্গল’। ইংরিজিতে লেখা এই বইয়ে বাংলাদেশের ১২ জন অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্বের কথা রয়েছে। এতে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে রামমোহন, বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র, জগদীশচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ, আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র, স্বামী বিবেকানন্দ, চিত্তরঞ্জন, নেতাজি, কাজী নজরুল, মেঘনাদ সাহা ও সত্যেন্দ্রনাথ বসুর প্রতি।

বই প্রকাশের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন  বিসিসিআই-এর তরফে তপন কুমার চক্রবর্তী (হেড, মেম্বারশিপ সার্ভিসেভ) ও সোমা মিত্র মুখার্জি (সহকারী পরিচালক/অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর), পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট শ্রীবিন্দু ভট্টাচার্য, ইন্দো হিস্প্যানিক ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যাকাডেমির ডিরেক্টর দিব্যজ্যোতি মুখোপাধ্যায় এবং স্পেনের কবি ফ্রান্সিসকো মুনিয়োজ সোলের।

সোমা মিত্র মুখার্জি বলেন, যাঁদের কথা এই বইটিতে বলা হয়েছে, তাঁদের সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্যও সন্নিবেশিত হিয়েছে। এঁরা সকলেই পুরুষ। পরের বইটিতে একই যুগের মহান নারীদের কাজকর্ম সম্পর্কে জানানো হবে।

বিসিসিআই-এর ইতিহাস সম্পর্কে আলোকপাত করলেন তপন কুমার চক্রবর্তী। তিনি জানান, ১৮৫৩ সালে লর্ড ক্লাইভের বাড়িতে তাঁদের সংগঠনের সূচনা হয়। বাংলার বাণিজ্য ও শিল্প বিকাশে তাঁদের সংগঠন কাণ্ডারী হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

বাংলার সাহিত্য ও প্রকাশনা ক্ষেত্রে পদক্ষেপ করার জন্য বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ভূয়সী প্রশংসা করেন গিল্ডের শ্রীবিন্দু ভট্টাচার্য। তাঁর পরামর্শ, এ ধরনের বই বিনামূল্যে বিতরণ না করে দাম নিয়ে বইটি বিক্রি করা উচিত। এতে বইটি সঠিক জায়গায় পৌঁছবে এবং ঠিকঠাক প্রচার পাবে। এবং এর পরে পরবর্তী প্রকাশনার জন্য সম্পদও বাড়বে। প্রকাশিত বইটি বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদের ব্যবস্থা করলে বিশ্বের সকলের কাছে বিষয়টি পৌঁছবে বলে মনে করেন শ্রীবিন্দুবাবু।

অনুষ্ঠানের সর্বশেষ বক্তা ছিলেন দিব্যজ্যোতি মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এ ধরনের বই প্রকাশের ক্ষেত্রে সংযোগসাধন ও অনুঘটকের কাজ করতে পারে। এর ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে দেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতি পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here