বেঙ্গালুরুর হারে কপাল পুড়ল ইস্টবেঙ্গলের

0
114

সানি চক্রবর্তী :

হারল বেঙ্গালুরু। কপাল পুড়ল ইস্টবেঙ্গলের। হ্যাঁ, এশীয় মঞ্চে এটাই মঙ্গলবারের নির্যাস। গত বারে এএফসি কাপের ফাইনালে ওঠায় এ বারে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের যোগ্যতাঅর্জন পর্বে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন সুনীলরা। যোগ্যতাঅর্জন পর্বের ম্যাচে জিতলে এশিয়ার প্রথম শ্রেণির প্রতিযোগিতায় খেলার দরজা খুলে যেত অ্যালবার্ট রোকার দলের কাছে। কিন্তু এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের যোগ্যতাঅর্জন পর্বে হেরে গেল বেঙ্গালুরু এফসি। জর্ডনের ক্লাব আল ওয়েদাতের কাছে ২-১ ব্যবধানে হারলেন সুনীলরা। যার জেরে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার দরজা বন্ধ হয়ে গেল তাদের কাছে। তাদের এশিয়ার দ্বিতীয় শ্রেণির প্রতিযোগিতা এএফসি কাপেই খেলতে হবে। তারা রয়েছে গ্রুপ ই তে। বেঙ্গালুরুর  সঙ্গে মালদ্বীপের মাজিয়া ও বাংলাদেশের আবাহনী লিমিটেড রয়েছে গ্রুপে। অপর একটি স্থানের জন্য লড়াই চলছে মোহনবাগান, কলম্বো  এফসি, মালদ্বীপের ভ্যালেন্সিয়া ও ভুটানের টিম্পু এই চার দলের মধ্যে।

মোহনবাগানের জয়ে ও বেঙ্গালুরুর হারে এএফসি কাপে ভারতের দুই ক্লাবের একই গ্রুপে থেকে লড়াই করার সম্ভাবনা বাড়ল। আর বেঙ্গালুরু এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ না পাওয়ায় কপাল পুড়ল ইস্টবেঙ্গলের। বেঙ্গালুরু চ্যাম্পিয়ন্স লিগের স্তরে উন্নীত হলে ভারতের দ্বিতীয় দল হিসেবে এএফসি কাপে খেলার শিকে ছিঁড়ত তাদের। কিন্তু বেঙ্গালুরু এএফসি কাপেই থেকে যাওয়াতে এ বারের এশীয় মঞ্চে খেলার সুযোগ পেল না মরগ্যানের দল। এ দিনই আবার এশীয় কোটার বিদেশি ইল্ডার আমিরভকে ছেড়ে দিল ইস্টবেঙ্গল। কিরঘিজস্থানের এই বিদেশিকে দলে আনাই কেন, আবার মাত্র কয়েক ম্যাচ খেলিয়ে বিদায় করে দেওয়াই বা কেন, প্রশ্ন ওঠা শুরু হয়েছে ইতিমধ্যে। আপাতত, আই লিগে লাল-হলুদের বিজয়রথ দুরন্ত গতিতে ছোটায় এ সব প্রশ্ন যদিও বড়ো হয়ে সামনে আসছে না। কিন্তু এ ভাবে না দেখে-শুনে বিদেশি এনে বছরের পর বছর ভোগার ট্র্যাডিশন আর কত দিন চলবে, ধাঁধাটা কিন্তু থেকেই যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

 

 

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here