ট্রিপল সেঞ্চুরির রেশ কি আজও ধরে রাখতে পারবে শেয়ার বাজার?

0
sensex,Nikkei 225,Dow Jones Industrial Average

বিশেষ প্রতিনিধি: হ্যাঁ, এই প্রশ্নটাই এখন বিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন হয়ে উঠেছে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারীদের কাছে।  গত বৃহস্পতিবার সকালে বাজার খোলার সময়ই দেখা গিয়েছিল সেনসেক্স ৩০০ পয়েন্টের বেশি উপরে উঠে দিন শুরু করতে চলেছে।  বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তা পৌঁছে গিয়েছিল ৫০০ পয়েন্টের উপরে। এমনকি বন্ধের পরও দেখা গেল ৩৩০ পয়েন্ট পকেটে পুরেই সে নিদ্রা দিতে যাচ্ছে।  কিন্তু শুক্রবার মাঝরাতেই অন্য় একটি কারণে ঘুম উবে গিয়েছে বিনিযোগকারীদের।

গত বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ে দালাল স্ট্রিট আশায় বুক বেঁধেছিল ওয়াল স্ট্রিটের সাফল্যের দিকে তাকিয়ে। কিন্তু শুক্রবার সেই ছবিটা প্রায় উল্টে গিয়েছে।  ডাউ জোনস সূচক ১০৩২ পয়েন্ট নেমে যাওয়ায় এ দেশের বিনিয়োগকারীদের মনেও চাপা আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়া অস্বাভাবিক কোনো ব্য়াপার নয়। অন্তত শেষ কয়েকটি ট্রেডিং ডে-তে অবনমনের যে ঝড় বয়ে চলেছে, সেটাই এই আতঙ্কের উৎস।

এ দেশের রিজার্ভ ব্য়াঙ্ক রেপো রেট অথবা রিভার্স রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখায় বাজার কিছুটা হলেও নড়েচড়ে বসার সুযোগ পেয়েছিল।  ও দিকে আবার শেষ কয়েক মাসে ডাউ সূচকের অত্যাধিক ঊর্ধ্বগমন এবং সমসাময়িক গোলমেলে ঘটনাপ্রবাহ এবং তেলের দাম নিয়ে বিশ্ববাজারে অস্থিরতা, ফেড রিজার্ভ সুদের হার না বদলালেও ব্যাঙ্ক অব ইংল্যান্ডের সুদের হার বাড়ানোর প্রস্তাব- সব মিলিয়ে ডাউ সূচককে চার শতাংশের বেশি নীচে ফেলে দিল। সেনসেক্স-নিফটি পারবে কি তার ছোঁয়া এড়াতে।  সকালেই বাজার খোলার পর জাপানের নিক্কেই কিন্তু তার খপ্পরে পড়ে গিয়েছে!

বিজ্ঞাপন

স্বাভাবিক ভাবেই বিশ্ববাজারের নিরিখে ভারতের শেয়ার বাজারও যে শুক্রবার দুর্ভোগের শিকার হতে চলেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে গিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।  তবে সূক্ষ্ম অনুভূতির কারবারি সেনসেক্স কখন কী খেলা দেখাবে, তা নির্ভর করছে বিনিয়োগকারীদের মনোভাবের উপরই। বিশেষত বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যদি ভারতের শেয়ার বাজার নিয়ে আগ্রহ দেখান, তা হলে স্বতন্ত্র গ্রাফ দেখা যেতেই পারে।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here