ধৈর্য্যের পরীক্ষা নিচ্ছে শেয়ার বাজার, হতাশ হলেই মুশকিল!

0
NSE BSE SHARE MARKET SENSEX

বিশেষ প্রতিনিধি: সপ্তাহের প্রথম দিনে শেয়ার বাজার খোলার পর থেকেই সমস্ত সূচকের অবনমন নিয়ে এ বার বোধহয় চিন্তাভাবনা করার দরকার এসে গিয়েছে বলে মনে করছেন একাংশের বিনিয়োগকারীরা। গত বৃহস্পতিবার ২০১৮-‘১৯ আর্থিক বছরের কেন্দ্রীয় বাজেট ঘোষণার দিন থেকে টানা তিন দিনে প্রায় দেড় হাজার পয়েন্টের পতন হয়েছে সেনসেক্সের। আবার নিফটি শুধু গত শুক্রবারই পড়েছে প্রায় আড়াই শতাংশ। সোমবারও ১০০ পয়েন্টের বেশি পতন  এবং স্টক বিশেষের দামের নিম্নপতনের দৃশ্য খোলা চোখে দেখে হতাশা যেন বেড়েই চলেছে। তবে ট্রেড পণ্ডিতরা বলছেন,  ধৈর্য্যের পরীক্ষা নিচ্ছে শেয়ার বাজার, হতাশ হলেই মুশকিল।

অর্থাৎ বাজারকে সময় না দিয়ে তড়িঘড়ি পড়া দামে স্টক বিক্রি করে দেওয়া অথবা তুলনামূলক ‘বেশি দরে’ বিশাল পরিমাণ স্টক কিনে ফেলা মোটেই বুদ্ধিমান বিনিয়োগকারীর কাজ হবে না। সোমবার তো নিফটি ১৫৬ পয়েন্ট নেমে গিয়েই বাজারে মুখ দেখিয়েছে। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি বেশ কিছুটা সামাল দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছে। সোমবার সকালের বাজার বিশ্লেষণে খবরঅনলাইনে প্রকাশিত হয়েছিল, নিফটি নামতে নামতে ১০,৩০০-র ঘাটে পৌঁছতে পারে। আপাতত যা ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে, তাতে আগামী কয়েকটি ট্রেডিং ডে-তে নিফটি যদি সেই ঘাট ছুঁয়ে ফেলে বা তারও কিছুটা নীচে নামে, তা হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

তাই বলে চটজলদি সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন এড়িয়ে চলাই ভালো বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। আগামী দু’মাস এ দেশের শেয়ার বাজার যে কঠিন একটি পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে পার হবে, তা প্রায় নিশ্চিত। এক দিকে বাজেটে লং টার্ম ক্যাপিটাল গেইন্সের উপর বিষেশ কর চালু করা বা রাজস্ব ঘাটতির মতো বিষয় অন্য দিকে মিউচুয়াল ফান্ড, এসআইপি, বন্ডের দিকে বিনিয়োগকারীদের বাড়তি আকর্ষণ। সব মিলিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি শেয়ার বাজারকে বেশ দুর্বল করে তুলেছে। তবে বাজেটে প্রস্তাবিত নীতি বা বরাদ্দ কার্যকরী হওয়ার পর বাজার যে নিজের পুরনো অবস্থান পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হবে, সে কথাও জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন: ভেঙে পড়ার মতো কোনো কারণই দেখা যাচ্ছে না, বাজারের লক্ষ্য রয়েছে স্থির

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here