ভারতে ইবে-র ব্যবসা কিনে নিচ্ছে ফ্লিপকার্ট: রিপোর্ট

0
157

নয়াদিল্লি: ভারতের ই-কমার্স শিল্পে নতুন মোড়। দুনিয়ার সবচেয়ে বড়ো ই-কমার্স সংস্থা ইবে-র ভারতের ব্যবসা কিনে নিতে চলেছে ফ্লিপকার্ট। অতি সম্প্রতি নতুন করে ১ বিলিয়ন ডলার (সাড়ে ছ হাজার কোটি টাকারও বেশি) বিনিয়োগ পেয়েছে ফ্লিপকার্ট। মাইক্রোসফট, টেনসেন্টের মতো সংস্থা সেখানে বিনিয়োগ করেছে। তারপরই এই খবর। কেনাবেচার পুরো শর্ত এখনও জানা যায়নি। তবে শোনা যাচ্ছে, গোটা লেনদেনটাই হচ্ছে বিনা পয়সায়।

২০০৪ সালে ভারতে পথ চলা শুরু করে ইবে। কিন্তু কখনওই তারা এ দেশে সেভাবে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি। ফ্লিপকার্ট, আমাজন, স্ন্যাপডিলের মোতো সংস্থা কাজ শুরু করার পর, ইবে তাদের পেছনে পড়ে গেছে। এমনকি এমনও শোনা যায়, শপক্লুজ আর পেটিএম-এরও পেছনে রয়েছে ইবে। ২০১৬ সালের মার্চে শেষ হওয়া অর্থবর্ষে ইবে-র লোকসান হয় ২৬২ কোটি টাকা। তার আগের অর্থবর্ষে ইবে-র লোকসান হয়েছিল ১৭২ কোটি। সম্প্রতি এক দশক দায়িত্ব সামলানোর পর ইবে-র ভারতীয় শাখার প্রধান লতিফ নাথানি ইস্তফা দেন। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব নেন ভিদমে নইনি। 


ই-কমার্স সংস্থা স্ন্যাপডিলেও বিনিয়োগ রয়েছে ইবে-র। মজার ব্যাপার, বাজারে খবর, বিক্রির জন্য পেটিএম ও ফ্লিপকার্টের সঙ্গে কথাবার্তা চালাচ্ছে স্ন্যাপডিল। যদিও সংস্থার পক্ষ থেকে এই খবরের সত্যতা অস্বীকার করা হয়েছে।


নতুন চুক্তি অনুযায়ী ইবে ইন্ডিয়ার যাবতীয় কার্যকলাপ ফ্লিপকার্টের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাবে।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে জানা গেছে, নতুন পর্যায়ে বাজার থেকে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ নিয়েই থামছে না ফ্লিপকার্ট। ২ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগ জোগাড়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছ ওই সংস্থার। ইবে-র সঙ্গে নতুন চুক্তিটি সেই বিনিয়োগ সংগ্রহের প্রক্রিয়ারই অংশ। তবে ফ্লিপকার্ট বা ইবে, কেউই এ বিষয়ে এখনও মুখ খোলেনি। 

এদিকে আরেক ই-কমার্স সংস্থা স্ন্যাপডিলেও বিনিয়োগ রয়েছে ইবে-র। মজার ব্যাপার, বাজারে খবর, বিক্রির জন্য পেটিএম ও ফ্লিপকার্টের সঙ্গে কথাবার্তা চালাচ্ছে স্ন্যাপডিল। যদিও সংস্থার পক্ষ থেকে এই খবরের সত্যতা অস্বীকার করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে স্পষ্ট, ভারতের ই-কমার্স বাজারে বিনিয়োগকারীরা এখনও ফ্লিপকার্টের ওপরই ভরসা রাখছেন। ২০০৯ থেকে ১৩ খেপে এই সংস্থা ৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ সংগ্রহ করেছে। 

একই সঙ্গে সাম্প্রতিক কালে ফ্লিপকার্টের বাজার দর ১৫ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে হয়েছে ১০ বিলিয়ন ডলার। সংস্থার অভ্যন্তরীণ কাঠামোতেও ব্যাপক ঝাঁকুনি লেগেছে। শীর্ষ পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন শচীন বনসল ও বিন্নি বনসল। সংস্থা ছেড়ে গেছেন বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী। দায়িত্ব নিয়েছেন কল্যাণ কৃষ্ণমূর্তি।

 

 

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here