বিজয়-বিরাটের জোড়া শতরানে টেস্টে আধিপত্য কায়েম ভারতের

0
122

হায়দরাবাদ: পাটা পিচে টস জিতে ভারত ব্যাটিং করলে কী হবে, তা-ও আবার বাংলাদেশের দুর্বল বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে, তা তো সহজেই অনুমেয়। হলও তাই। তাই দিনের শেষে সংবাদ শিরোনামে ভারতের ব্যাটিং নয়, টসের আগে টিম ম্যানেজমেন্টের নেওয়া একটা সাহসী সিদ্ধান্ত।

এই মুহূর্তে কী ভাবছেন করুন নায়ার? কী দোষ করলেন যার জন্য তাঁকে দল থেকে বাদ পড়তে হল। আসলে অধিনায়ক কোহলির তত্ত্ব খুব পরিষ্কার। বছর দুয়েক ধরে দলের প্রধান ব্যাটিং ভরসা ফর্মে থাকতে থাকতেই হঠাৎ করে যদি চোট পেয়ে যান, তাঁর জায়গায় যদি নবাগত কোনো ক্রিকেটার আসেন, তিনি যত রানই করুন না কেন, পুরোনো প্লেয়ারটি ফিরে এলে তিনিই দলে প্রাধান্য পাবেন। করুনকে তাই বসিয়ে রাহানের ওপরই ভরসা রাখলেন কোহলি। অধিনায়কের সেই ভরসার অনেকটা মর্যাদা দিতে পেরেছেন রাহানে।

এ বার একটু খেলার কথায় ফেরা যাক। এ দিন প্রথম ওভারেই টাসকিন আহমেদের বলে রাহুলকে হারায় ভারত। বোলিং-এর গুণ না, নিজের দোষেই বলটা স্ট্যাম্পে ডেকে আনেন তিনি। এই মরশুমে জমাটি পার্টনারশিপ হচ্ছে বিজয় আর পুজারার মধ্যে। এ দিনও তার ব্যাতিক্রম হল না। শুরুর আধঘণ্টা বাঙালি পেস আক্রমণ সামলে নিয়ে পালটা প্রতি-আক্রমণ শুরু করেন তাঁরা। দু’জনের পার্টনারশিপে যখন ১৭৮ রান উঠেছে, জুটিটা ভাঙেন মেহদী হাসান। তাঁর বলে মুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন পুজারা। তাঁর সংগ্রহ ৮৩। তবে দমেননি বিজয়। শতরানের গণ্ডি পেরোন তিনি। ১০৮ রানে তাইজুল ইসলামের শিকার বিজয়।

বিরাট কোহলিকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান রাহানে। শুরুর দিকে কিছুটা আড়ষ্ট ভাব থাকলেও ক্রমে তা কাটিয়ে ওঠেন। উলটো দিকে ইংল্যান্ড সিরিজে যেখানে শেষ করেছিলেন, এখানে যেন সেখান থেকেই শুরু করেন বিরাট। দু’জনের রানের গতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। দিনের খেলা শেষ হওয়ার একটু আগে টেস্টে নিজের ১৬তম শতরান পূর্ণ করেন বিরাট।

প্রথম দিনের শেষে তিন উইকেট হারিয়ে ভারতের স্কোর ৩৫৬। ১১১-তে ব্যাট করা বিরাটের সঙ্গে ৪৫ রানে অপরাজিত রয়েছেন রাহানে।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here