নয়া নেপালি প্রধানমন্ত্রী ওলি ভারত এবং চিনের মধ্যে ভারসাম্য রেখে চলবেন, মত বিশেষজ্ঞদের

0
267
nepal prime minister

কাঠমান্ডু: মাওবাদী এবং কমিউনিস্ট জোট গত বছর ডিসেম্বরেই নেপালের ক্ষমতায় এসে গিয়েছিল। কিন্তু সংসদের উচ্চ কক্ষে  নির্বাচন না হওয়ার দরুন সেই এই ফল সরকারি ভাবে ঘোষণা করেনি নেপালের নির্বাচন কমিশন। অবশেষে গত সপ্তাহে সেই নির্বাচনের পরে সরকারি ভাবে ফলাফল ঘোষিত হতেই প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে করলেন ইস্তফা দিলেন শের বাহাদুর দেউবা। তাঁর জায়গায় দেশের প্রধানমন্ত্রী হলেন কেপি শর্মা ওলি।

বৃহস্পতিবার নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারীর আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্বভার নেন কমিউনিস্ট নেতা ওলি। ২০১৫ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত অল্প সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার সামলেছিলেন ওলি।

ওলি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরেই জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে ভারতের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক রেখে চলবেন তিনি। কারণ এমনিতে মূলত ভারত-বিরোধী হিসেবে পরিচিত ওলি। অন্য দিকে ভারতপন্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন দেউবা। এর আগে ওলি যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন যখন মদেশীয় ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে নেপালের দূরত্ব ক্রমে বেড়েছে।

বিজ্ঞাপন

এমনিতে নেপালকে নিজেদের দিকে টানার জন্য ভারত এবং চিন, দু’দেশই সক্রিয়। দু’দেশই সেখানে বিনিয়োগ করছে। যদিও বিশেষজ্ঞদের ধারণা, দু’দেশের মধ্যে ভারসাম্যের সম্পর্ক বজায় রেখে চলবেন ওলি। চিনের সঙ্গে অতিসখ্যতা দেখাতে গিয়ে, ভারতকে একদম দূরে সরিয়ে দেওয়ার ‘দুঃসাহস’ তিনি দেখাবেন না।

সাপ্তাহিক নেপালি টাইমসের এডিটর বলেন, “ভারত এবং চিনের মধ্যে একটা বাস্তববাদী সম্পর্ক বজায় রেখে চলবেন ওলি।”

ওলি এখন প্রধানমন্ত্রী হলেও, তিনি পাঁচ বছরের মেয়াদ পূরণ করবেন না। মাঝপথেই তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পদটি ছেড়ে দিতে হবে মাওবাদী নেতা প্রচণ্ডকে। কারণ কমিউনিস্ট এবং মাওবাদীদের জোটের অন্যতম শর্তই হল, কোনো একজন টানা পাঁচ বছর প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকতে পারবেন না।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here