মোবাইলের না পাঠানো বার্তাই গণ্য হল মৃত ব্যক্তির উইল হিসেবে

0
764

ওয়েবডেস্ক: ”আমার অবর্তমানে স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তির সমান ভাগ পাবে আমার ভাই এবং ভ্রাতুষ্পুত্র”, অনেকটা এইরকমই ছিল মেসেজের ভাষা। কিন্তু কাউকেই পাঠানো হয়নি সে বার্তা। থেকে গেছে মোবাইলের ড্রাফটে। অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের ৫৫ বছরের প্রৌঢ় গত বছরই বেছে নিয়েছেন আত্মহত্যার পথ। এরকম অবস্থায় তাঁর না পাঠানো বার্তাকেই দলিলের সরকারি নথি হিসেবে স্বীকার করল ব্রিসবেনের শীর্ষ আদালত।

ড্রাফটে পড়ে থাকা মেসেজের খসড়ায় বিষদে উল্লেখ রয়েছে মৃতের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের। ঘরের কোথায় টাকা লুকোনো রয়েছে, লেখা রয়েছে তাও। কিন্তু মৃতের স্ত্রী দাবি করেছিলেন, দলিলের নথী হিসেবে এমন কোনও মেসেজ ব্যবহার করা যায় না, যা কখনও কাউকে পাঠানোই হয়নি। কুইন্সল্যান্ডের আইন বলছে, দলিল হতে হবে লিখিত। এবং সেখানে দুজন প্রত্যক্ষদর্শীর স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু বিচারপতি সুজান ব্রাউন জানিয়েছেন, মেসেজের খসড়ায় যে হেতু শেষে ‘আমার দলিল’- এই শব্দ দুটির উল্লেখ আছে, সে হেতু ধরে নিতে হবে মৃত ব্যক্তি তাঁর মৃত্যুর আগে সম্পত্তির উইল-ই লিখে যেতে চেয়েছিলেন। সুতরাং উইলের সরকারি নথি হিসেবে গণ্য হবে তা।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দলিল সংক্রান্ত আইন ২০০৬ সালে একবার সংশোধিত হয়েছে কুইন্সল্যান্ডে। নতুন আইন মাফিক ২০১৩ সালে ‘আমার উইল’ নামাঙ্কিত একটি ডিভিডি-কে বৈধ নথি হিসেবে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিল আদালত।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here