চেতলায় গৃহবধূ খুনের ঘটনায় ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পুলিশি হেফাজত স্বামীর

0

কলকাতা : চেতলার  টুম্পা পাল খুনের ঘটনায় মৃতার স্বামীকে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। স্বামীর নাম সুরজিত পাল। হাওড়া ষ্টেশন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,  প্রাথমিক জেরায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। টুম্পার বোনের সঙ্গে  বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল সুরজিতের। তার জেরেই খুন হতে হয় টুম্পাকে।

আলিপুরের রোডের একটি বাড়ি থেকে এই মহিলার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। বাড়ির একটা ঘরে ঘাটের ওপর পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। ঘটনাটি প্রথম নজরে আসে মৃতার ছোটো ছেলে সায়ন পালের। সায়ন সিটি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। তার পরই ঘটনা জানাজানি হয়। পুলিশে খবর দেন এলাকাবাসীরা।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার পরনে ছিল নাইটি। মাথায় আর গালে ছিল কুপিয়ে আঘাতের চিহ্ন। পাশেই একটা গামছা পড়ে ছিল। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, প্রথমে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয় তাঁকে। তার পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে মাথায় আর গালে এলোপাথারি আঘাত করা হয়। ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ ছিল স্বামী সুরজিত। তবে তার ব্যাগ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছিল ওই ঘর থেকেই।

বিজ্ঞাপন

এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, সুরজিত এক জন সেলসম্যান। বড়োবাজার থেকে জিনিসপত্র কিনে দোকানে দোকানে বিক্রি করে। সকালে বেরিয়ে যায় কাজে। দুপুরে বাড়িতে খেতে আসে। ফের কাজে বেরিয়ে যায়। এই ভাবেই চলে। দু’ বছর হল দুই ছেলে আর স্বামী স্ত্রী ৬৩/এ আলিপুর রোডের এই বাড়িতে ভাড়া ছিলেন।

পরিবারের লোকজনের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, সুরজিতের মা আর ভাই বেহালায় থাকেন। তাঁদের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই সুরজিতদের। আর চেতলায় থাকেন টুম্পার অবিবাহিত দু’ বোন আর বিধবা মা। টুম্পার বড়ো ছেলে আকাশ, আশুতোষ কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র।

ঘটনার দিন টুম্পা বাড়িতে একাই ছিলেন। বড়ো ছেলে দিদা আর মাসিদের নিয়ে কোচবিহারে এক আত্মীয়ের বিয়েতে গিয়েছিলেন।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here