হরিয়ানা থেকে ২২৩ জন বিশেষ অতিথি এনে রাজ্যপালের ব্যয়বহুল শপথগ্রহণ অসমে, বিতর্ক

0
302

ওয়েবডেস্ক: আর্থিক সংকটে জর্জরিত একটি রাজ্য। অথচ রাজ্যপালের শপথ গ্রহণের মতো বিশেষ তাৎপর্য না থাকা একটি অনুষ্ঠানে ভিন রাজ্য থেকে ৫০০-র বেশি অতিথিকে নিয়ে আসা হল। ঘটনাটি অসমের। রাজ্যপাল জগদীশ মুখির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে দিল্লি এবং হরিয়ানা থেকে এলেন শ’পাঁচেক অথিতি। এঁদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকের বেশি অতিথিকে বিমানে করে গুয়াহাটিতে নিয়ে আসার খরচ বহন করল অসম সরকার। প্রথা ভেঙ্গে রাজভবনের পরিবর্তে রাজ্যপাল শপথ নিলেন গুয়াহাটির এক বিলাস বহুল সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে।

গত মঙ্গলবার ছিল রাজ্যের নতুন রাজ্যপাল জগদীশ মুখির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। দু’দশক আগে যখন দিল্লিতে ছিল বিজেপি শাসন, তৎকালীন সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন মুখি। ১৯৮০ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত বিধানসভা ভোটে পরপর সাতবার বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন জনকপুরি কেন্দ্র থেকে। শেষবার যিনি হেরে যান আম আদমি প্রার্থীর কাছে। সেই জগদীশ মুখির রাজ্যপাল হিসেবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হরিয়ানা থেকে এলেন ২২৩জন বিশেষ অতিথি। সে রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা দলের বহু নেতাই যে মুখির রাজনৈতিক সতীর্থ, তাতে আশ্চর্যের কিছু নেই। তাই বলে নিতান্ত সাদামাটা একটা নিয়মকে ‘অহেতুক জাঁকজমকপূর্ণ ও ব্যয়বহুল’ করে তোলার জন্য বিরোধী দলের সদস্যদের কাছে সমালোচিত হয়েছেন ইতিমধ্যেই।

অসম প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির মুখপাত্র অপূর্ব ভট্টাচার্যের ভাষায়, “আর্থিক ভাবে দুর্বল একটা রাজ্যে এ ধরনের ব্যয়সাপেক্ষ অনুষ্ঠানের আয়োজন খুবই দুর্ভাগ্যজনক। জগদীশ মুখিকে আর কোনো কারনে মনে থাকুক বা না থাকুক, এই জন্য মানুষ ভুলতে পারবে না। অসমের বিজেপি সরকার এটুকু সুনিশ্চিত করল”। সে রাজ্যের অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানিয়েছেন, “রাজভবন সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করব না”। রাজভবন আধিকারিকরা কী বললেন? “রাজ্যপালদের সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লি গিয়েছেন মুখি। তাঁর প্রতিক্রিয়া জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে তাঁর ফেরা পর্যন্ত”।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here