২০১৮-য় রাজ্যসভায় গরিষ্ঠতা নিয়ে আইন করে রামমন্দির বানাব, বিস্ফোরক টুইট স্বামীর

0

লখনউ : অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণ অত্যন্ত ‘সংবেদনশীল’ ইস্যু, তাই আদালতের বাইরে আন্তরিক আলোচনার মাধ্যমে এর সমাধান খোঁজা হোক, এমনটাই বলেছে শীর্ষ আদালত। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পর বুধবার একটি চাঞ্চল্যকর টুইট করে নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিলেন মামলার আবেদনকারী বিজেপি নেতা ও সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। টুইটে তিনি বললেন, সরযুর ধারে এখনই মসজিদ বানিয়ে নিক মুসলিমরা। তা না হলে ২০১৮ সালে রাজ্যসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে তাঁরা আইন করে সেখানে মন্দির তৈরি করবেন। অন্য দিকে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনেল ল বোর্ডের (এআইএমপিএলবি) সদস্য মৌলানা খালিদ রাসিদ ফিরঙ্গি মহালি এ দিন জানিয়েছেন, রামমন্দির-বাবরি মসজিদ বিতর্কের সমাধান করতে তাঁরা আদালতের বাইরে আলোচনায় বসতে রাজি আছেন। 

অন্য একটি টুইটে স্বামী বলেছেন, ১৯৯৪ সালে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর সেখানে একটা অস্থায়ী রামলালা মন্দির ইতিমধ্যেই গড়ে উঠেছে। নিয়মিত পুজোও হয়। কারোর কি সাহস আছে সেটা ধ্বংস করে?      

বিজ্ঞাপন

অন্য দিকে মুসলিম ধর্মগুরু মৌলানা সোহাইব ওয়াস্মি বলেন, এটা একটা সংবেদনশীল ব্যাপার। আদালতে যে কোনো এক পক্ষকে হারতেই হবে। তাই বিষয়টি নিয়ে কোনো রকম সিদ্ধান্তে পৌঁছোনোর আগে দু’ পক্ষকেই ভালো করে বিবেচনা করে দেখতে হবে। পৃথিবীতে সমস্যার সমাধান সম্ভব আলোচনা, কথা বলার মাধ্যমে। তর্ক আর ঘৃণা দিয়ে কোনো ভালো কোনো দিনই হয়নি। তাই রামজন্মভূমি-বাবরি মসজিদ ইস্যুর মতো একটা সংবেদনশীল বিষয়ের সমাধান করতে সব পক্ষকেই শান্ত ভাবে আলোচনা করতে হবে।

অন্য দিকে অবশ্য স্বামী শিবিরের দাবি, বাবরি মসজিদ অ্যাকশন কমিটির সদস্যরা রামজন্মভূমি নিয়ে কোনো রকম দাবি প্রমাণ ছাড়া মানতে নারাজ। 

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here