বাজেট ২০১৮: ঝুলি থেকে যে ১০টি ‘বিড়াল’ বের করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী

0
2405
arun jaitley budget: 2018
jayanta mondal
জয়ন্ত মণ্ডল

বছর ঘুরলেই ২০১৯-এর সাধারণ নির্বাচন। এ বারের বাজেটিই সেই অর্থে বর্তমান এনডিএ সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। স্বাভাবিক ভাবেই লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখেই বাজেট রচনায় দৃষ্টি নিবেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। এবং অবশ্য তা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তত্ত্বাবধানেই। ২০১৭-’১৮ আর্থিক বছরের সব থেকে কম গ্রস ডোমেস্টিক গ্রোথ বা জিডিপি-কে সঙ্গী করে এগোচ্ছে সরকার। সে কথাও চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে বিজেপির তিনটি সরকারের আমলেই মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব পালনকারী তুখোড় রাজনীতিবিদ জেটলিকে।

এমনকী যে মোদী প্রধানমন্ত্রীর তখ্‌তে বসার পর থেকেই ২০২২-এর লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছিলেন সেই তিনিও সম্প্রতি দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের সম্মেলনে গিয়ে নিজের নির্ধারিত সময়সীমাকে দীর্ঘায়িত করেছেন। নিজের বক্তব্যে তিনি বলেছেন, আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে ভারত অর্থনীতিকে দ্বিগুণ জায়গায় নিয়ে যেতে সক্ষম হবে। অথচ কী আশ্চর্যের বিষয়, প্রধানমন্ত্রী হওয়া ইস্তক তাঁর মুখের যে কোনো পরিকল্পনাতেই ঠাঁই পেয়েছে শুধুই টার্গেট ২০২২।

সব মিলিয়ে বহুলচর্চিত হয়ে উঠেছে এ বারের বাজেট। বছর আগে নোটবন্দিতে সরকার কতটা লাভবান হতে পেরেছে, সে সব নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান ঘোষণা থমকে গিয়েছে শুধু কত নোট বাজেয়াপ্ত হল আর কত নোট আবর্জনার স্তূপে নিক্ষিপ্ত হল, সেই অঙ্কেই। তাও ঠিক আছে। কিন্তু অভিন্ন কর কাঠামো নিয়ে পদে পদে হোঁচট খাওয়ার ঘটনা তো নগ্ন হয়ে গিয়েছে। একের পর এক সিদ্ধান্ত বদল করতে হয়েছে। বিরোধীদের চাপের কাছে নতিস্বীকার করে বদলানো হয়েছে করের হারে। তার উপর সম্প্রতি প্রকাশিত জিডিপি হ্রাসের পূর্বাভাস।

বিশেষ মহল থেকে শোনা যাচ্ছে, গুজরাত নির্বাচন এনডিএ-র চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, দেশের গ্রামীণ এলাকায় তাদের গ্রহণযোগ্যতা কোথায় গিয়ে ঠেকেছে। স্বাভাবিক ভাবেই সরকার এ বারের বাজেটে সর্বাগ্রে অধিকার দেবে গ্রামাঞ্চলকেই। গ্রামের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন মানেই কৃষিক্ষেত্রের প্রতি বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া। হ্যাঁ, এই যুক্তিকেও ফেলে দেওয়ার নয়। কিন্তু শুধুমাত্র যে গ্রামের মানুষের জন্য বস্তা ভর্তি টাকা বরাদ্দ করলেও ২০১৯-এর ভোটে বিজেপি ড্যাং ড্যাং করে পাশ করে যাবে তা নয়। এ কথা ভালোই বোঝেন এনডিএ-র ম্যানেজাররা। যে কারণে তাঁরা হাতের দশ আঙুলে গুঁজে বাজেট অধিবেশনের সভায় নামতে চলেছেন। সেগুলি কী? এক ঝলকে দেখে নেওয়া যেতে পারে-

১. কর্মসংস্থান। ২. কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়ন। ৩. ছোটো শিল্পের উন্নয়ন। ৪. সড়ক ও রেলপথের বিস্তার। ৫. বৃহৎ পরিকাঠামো নির্মাণ। ৬. দ্রব্য মূল্যের নিয়ন্ত্রণ। ৭. কর আদায়। ৮. বিদেশি বিনিয়োগ। ৯. রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের পরিকাঠামো। ১০. সর্বোপরি বৃদ্ধির হার

আরও পড়ুন: ৫০ হাজার দারিদ্রমুক্ত গ্রাম গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অরুণ জেটলি, অত:পর?

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here