সক্রিয় স্বেচ্ছা মৃত্যুর আবেদন জানিয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি নিঃসন্তান দম্পতির

0
381
Mumbai Couple Want To Die, Write To President

ওয়েবডেস্ক: ‘সমাজের কোনো কাজে লাগি না, সমাজকে কিছু দিতেও পারি না আমরা’-এমন মানসিকতার ‌টানাপোড়েনে শেষমেশ স্বেচ্ছা মৃত্যকেই উপযুক্ত পথ হিসাবে বেছে নিতে চাইছেন মুম্বইয়ের নারায়ণ লাভাতে এবং তাঁর স্ত্রী ইরাবতী। তাঁরা তাঁদের ইচ্ছার কথা জানিয়ে স্বয়ং রাষ্ট্রপতিকে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।

৮৬ বছরের নারায়ণ মহারাষ্ট্র রাজ্য পরিবহণ নিগম থেকে অবসর নেন ১৯৮৯-এ। আবার  ইরাবতীদেবীও মুম্বাইয়ের একটি স্কুলে প্রিন্সিপালের পদ থেকে অবসর নিয়েছেন প্রায় দু’দশক আগেই। তাঁরও বয়স এখন আশি ছুঁইছুঁই। ওই দম্পতি রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে জানিয়েছেন, ‘এই পর্যায়ে এসে আমাদের আর বেঁচে থাকার কোনো মানে হয় না। তবে জীবন ধারণে আমাদের যে কোনো সমস্যা হচ্ছে তাও নয়। কিন্তু আমরা আর বাঁচতে চাই না।’

ওই দম্পতি নিঃসন্তান। ফলে কোনো রকমের সমস্যায় পড়লে বাইরের কারও না কারও সহায়তা নিতে হয়। বিশেষ করে অসুখ-বিসুখে তো কাউকে না কাউকে ডাকতেই হয়। কিন্তু আপত্তি রয়েছে সেখানেও। তাঁদের দাবি, নতুন করে কারও সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে তার ঘাড়ে দায়িত্ব চাপিয়ে দিতে তাঁরা মোটেও রাজি নন।

এ দেশে পরিপ্রেক্ষিত বিচারে স্বেচ্ছা মৃত্যুর স্বীকৃতি বহু বছর আগেই দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু ২০১১-র ওই রায়ে আদালত জানিয়েছিল, চিকিৎসার বাইরে চলে যাওয়া যন্ত্রণায় অবসন্ন ব্যক্তিকে বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে স্বেচ্ছা মৃত্যুর অধিকার দেওয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের শংসাপত্রের ভূমিকাই মুখ্য। একে বলা হয় প্যাসিভ ইউথেনাসিয়া। কিন্তু  অ্যাক‌টিভ ইউথেনাসিয়া বা ‘সক্রিয় ইচ্ছা মৃত্যু’র কোনো আইনি অধিকার নেই এ দেশে।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here