ভারতের উদ্দীপনা বাড়াতে তিব্বতকে অস্ত্রাগারে পরিণত করছে চিন: গোয়েন্দা রিপোর্ট

0
1011
China flexes muscle in Tibet; massive build-up of troops at the border

ওয়েবডেস্ক: ডোকলামে বিশাল সামরিক বাহিনী মোতায়েন করার পর তিব্বতকে সামনে পেশিশক্তি প্রদর্শনের পথ বেছে নিয়েছে চিন। দীর্ঘ দিন ধরেই ভারত সীমান্তে অবস্থিত তিব্বতে জঙ্গি জেট, নৌ যুদ্ধ জাহাজ পাঠিয়েছে চিন। সঙ্গে রয়েছে বিশাল সৈন্য বাহিনীও। তবে এটাই প্রথম বার নয়। এর আগেও ভারতের স্নায়ুচাপ বাড়াতে চিন এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু গত এক বছরে তিব্বতে যুদ্ধ উপকরণ পাঠানোর হার প্রায় ২০ শতাংশ বাড়িয়ে ফেলেছে চিন।

গোয়েন্দা বিভাগের একটি সাম্প্রতিক রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে, তিব্বতে চিনা যুদ্ধ বিমানের সংখ্যা প্রায় ৪৭-৫১টি। যা গত বছরের তুলনায় ১০টি বাড়িয়ে নিয়েছে চিন। লাসা-গোংগাতে চিনের ফাইটার রয়েছে আটটি, এমনকি সেখানে রয়েছে ২২টি এমআই-১৭ হেলিকপ্টারও। রয়েছে একটি কেজে৫০০ এয়ারবোন আর্লি ওয়ার্নিং বা এইডব্লুউ। এই ওয়ারবোনের সাহায্যে নিখুঁত ভাবে শত্রুবিমানের উপর নজরদারি চালানো যায়। এ ছাড়া মধ্য তিব্বতের রিকাজেতে রয়েছে চিনের চারটি জে-১০, ১০টি জে-১১ এবং চারটি জে-৭-এর মতো সামরিক বিমানও। জানা গিয়েছে সেখানেও পাঠানো হয়েছে ১১টি এমআই-১৭ এবং কিছু অনামী বায়ু যান।

তিব্বতের কাশঘর বা কাশীতে চিন পাঠিয়েছে ১২ টি সামরিক বিমান। আটটি জেএইচ-৭ এবং চারটি জেএইচ-১১ বায়ু যানের পাশাপাশি বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্রও পাঠানো হয়েছে ওই অঞ্চলে। বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে স্থাপন করা হয়েছে ওই যুদ্ধ উপকরণগুলিকে। সিকিম সেক্টরেও স্থাপিত হয়েছে অতিরিক্ত যুদ্ধ সামগ্রী।

ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, শীতকালে সামরিক মহড়ার কাজ পুরো দমে চালিয়ে যাওয়ার জন্যই ওই বিশাল পরিমাণ যুদ্ধ সামগ্রী মজুত করেছে চিন। লাসা-গোংকার পাশাপাশি ভারতীয় সীমান্ত সিকিমের উপর দিয়ে এ দেশে নজরদারি চালানোর জন্য তিনটি অনামী বায়ু যান এবং চপারের সংখ্যা অনেকটাই বাড়িয়ে তুলেছে চিন।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here