বিজেপির ক্রমবর্ধমান সংগঠনই কি ত্রিপুরার শাসক দল সিপিএমের আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠেছে?

0
Tripura BJP

ওয়েবডেস্ক: নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা না হলেও এখন থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ নিয়ে এল ত্রিপুরার শাসক দল সিপিএম। কংগ্রেস এবং তৃণমূলকে ছাপিয়ে বিজেপির সংগঠন যে ভাবে সিপিএমের ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে, সম্ভবত তাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছে তারা, এমনটাই দাবি বিজেপি শিবিরের।

সম্প্রতি চাউর হয়ে যায়, ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সুরক্ষা উপদেষ্টা অজিত দোভালের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এক আরএসএস নেতা?

ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা না হলেও আপাতত এই ঘটনাতেই উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে ওই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে কেন হাজির থাকবেন ওই আরএসএস নেতা? তা হলে কি কোনো গোপন কৌশল নিতে চলেছে বিজেপি?  কী সেই কৌশল? অন্তত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণায় বিলম্ব ঘটার সঙ্গে কি কোনো যোগসূত্র রয়েছে তার-এমন সব বহুবিধ প্রশ্নেই আতঙ্কিত ত্রিপুরা সিপিএম। তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে গত মঙ্গলবারই। দলের রাজ্য সম্পাদক তথা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাংবাদিকদের সামনে ক্ষোভ উগরে দিতে গিয়ে মেজাজ হারিয়ে ফেলেছেন। বিশেষ করে ত্রিপুরায় বিজেপির উত্থান নিয়ে সিপিএম যে গভীর দুশ্চিন্তায় রয়েছে তা বিজনবাবুর বক্তব্যের প্রতিটি ছত্রেই ঝরে পড়েছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ভোটার তালিকা নিয়ে ব্যাপক গন্ডগোল পাকাচ্ছে। ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বিভিন্ন অবাস্তব বিষয় উত্থাপন করছে। বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে।

আবার বিজনবাবুর বক্তব্য, বিজেপি অসম থেকে গাড়ি নিয়ে এসে প্রচার করছে। তাদের সহযোগী হিসাবে কাজ করছে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। কোটি কোটি টাকা ঢেলে প্রচারের কাজ চলছে। এত টাকা কোথা থেকে আসছে? এখন থেকে এ সব নিয়ে সতর্ক থাকা দরকার।

উল্লেখ্য, গত ২০১৩-র ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে ৬০টি আসনের মধ্যে একটিতে জয়লাভ করে সিপিআই, ৪৯টিতে সিপিএম এবং বাকি ১০টি আসন পায় জাতীয় কংগ্রেস। পরে অবশ্য দলবদলের ঢেউয়ে বেশ কয়েকজন বিধায়কদের রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন ঘটছে।

তবে বিজনবাবুর এমন সব মারাত্মক অভিযোগকে কার্যত ফুঁয়ে উড়িয়ে দিচ্ছে ত্রিপুরা বিজেপি। তারা বলছে, পায়ের নীচে মাটি হারিয়েই অসংলগ্ন কথা বলছে সিপিএম।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here