৫ লাখে বিয়ে শেষ! বিল পাশ হলে হতেও পারে এটাই সত্যি

0
56

নয়াদিল্লি : আর কোটি কোটি টাকা খরচ করা যাবে না, ছেলে বা মেয়ের বিয়ে দিতে হলে ৫ লাখেই পুরোটা সারতে হবে। তার থেকে বেশি টাকা খরচ করলে মোট খরচের ১০ শতাংশ দিতে হবে কোনো এক দরিদ্র পরিবারের মেয়ের বিয়ের কাজে। বিল পাশ হলে সরকারি ভাবে এমন নিয়মে বাঁধা পড়বে সব পরিবারই। 

লোকসভায় কংগ্রেসের সাংসদ শ্রীমতী রঞ্জিত রঞ্জন ‘দ্য ম্যারেজেস (কমপালসারি রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড প্রিভেনশন অব ওয়েস্টফুল এক্সপেন্ডিচার) বিল ২০১৬’ নামের একটি বেসরকারি বিল পেশ করেছেন। এই বিলে বলা হয়েছে, আজকালকার বিয়ে এক রকম লোক দেখানো ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাঁর যত প্রতিপত্তি আছে, তিনি তত ঘটা করে মেয়ের বিয়ে দেন। খরচ করেন মাত্রাছাড়া। উলটো দিকে যাঁর সামর্থ কম তাঁকে প্রায় জৌলুসহীন ভাবে মেয়ের বিয়ে দিতে হয়। পড়তে হয় সামাজিক হীনম্মন্যতার মধ্যে। এটা ঠিক নয়। তাই বিয়ের খরচের পরিমাণ বেঁধে দেওয়া উচিত। পরিমাণ বাঁধা হবে পাঁচ লাখ টাকায়। যদি কোনো ব্যক্তি তার থেকে বেশি টাকা খরচ করেন, তা হলে খরচ হওয়া মোট টাকার ১০% খরচ করতে হবে কোনো দরিদ্র পরিবারের মেয়ের বিয়েতে।  

wedding-menuশ্রীমতী রঞ্জিত রঞ্জন হলেন বিহারের সাংসদ পাপ্পু যাদবের স্ত্রী। ৯ মার্চ লোকসভার যে অধিবেশন শুরু হবে, সেই অধিবেশনে তাঁর বিলটি বেসরকারি বিল হিসেবে পেশ করা হতে পারে। শ্রীমতী রঞ্জন জানান, এই বিল পাশের মধ্যে দিয়ে বিবাহ অনুষ্ঠানে অকারণ খরচকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হবে। বিলে বলা হয়েছে, যদি কোনো পরিবার মনে করেন ৫ লাখের থেকে বেশি খরচ করবেন, তা সরকারকে আগাম জানিয়ে দিতে হবে। শুধু তা-ই নয়, বিলে উল্লেখ করা ১০ শতাংশ টাকা সমাজসেবামূলক তহবিলে আগাম জমা করতে হবে। এই তহবিল পরিচালনা করবে খোদ সরকার। এই তহবিলের টাকা খরচ করা হবে দরিদ্র বা দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারী পরিবারের মেয়েদের বিয়ের কাজে। 

এ ছাড়াও বিল পাশ হলে, সব ক’টি সামাজিক বিয়েই ৬০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রি করতে হবে। তবেই তা বৈধতা পাবে। সরকার চাইলে বিয়েতে নিমন্ত্রিতদের সংখ্যা, কত রকমের খাবারের আয়োজন করা হবে তার সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দিতে পারে। এর ফলে বিয়ে বা বৌভাতে অকারণ অর্থব্যয় ও খাদ্যের অপচয় বন্ধ করা সম্ভব হবে। 

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here