যুদ্ধের জন্য তৈরি থাকুন, ১২ হাজার অফিসারকে চিঠি বিমানবাহিনীর প্রধানের

0
1108

নয়াদিল্লি : নজিরবিহীন কাজ করলেন ভারতীয় বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল বি এস ধানওয়া। বাহিনীর ১২ হাজার অফিসারের কাছে ব্যক্তিগত চিঠি লিখলেন তিনি। তাতে রয়েছে যে কোনো মুহূর্তে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ।

চিঠিতে তিনি লেখেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে একটা গতানুগতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রায় সব সময় রয়েছে। সে দিকে লক্ষ রেখেই বাহিনীর যেটুকু সম্বল রয়েছে, তাই নিয়েই যে কোনো পরিস্থিতিতে খুবই স্বল্প সময়ের নোটিসেই যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এমনকি প্রশিক্ষণের সময়ও সেই বিষয়েই জোর দেওয়া উচিত।

তিনি চিঠিতে ‘সাব কনভেনশন্যাল থ্রেট’ অর্থাৎ গতানুগতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি বলতে, প্রায় সময়ই পাকিস্তানের অতর্কিত হামলা, সেনা ঘাঁটিতে ক্রমবর্ধমান জঙ্গি হামলার ঘটনা, জম্মু-কাশ্মীরে জনতার বিক্ষোভকে বোঝাতে চেয়েছেন। ।

তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘প্রেসেন্ট হোল্ডিংস’-এর কথা। অর্থাৎ বায়ুসেনার সেনা স্কোয়াডের সংখ্যা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। ৪২ স্কোয়াড্রন যুদ্ধবিমান থাকার কথা, সেখানে রয়েছে ৩৩ স্কোয়াড্রন। এই সৈন্য নিয়েই যে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য তৈরি থাকতে হবে, চিঠিতে সে কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। ১ স্কোয়াড্রনে সাধারণত ১৬ থেকে ১৮টি যুদ্ধবিমান থাকে।

প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে ৩৬টি রাফেল ফাইটার বিমানের জন্য ফ্রান্সের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। পাশাপাশি দেশীয় প্রযুক্তির মিগ সিরিজের তেজস ফাইটার বিমান তৈরি করা হচ্ছে।

চিঠিতে বাহিনীর মধ্যে পক্ষপাতিত্বের বিষয় থেকে যৌন হয়রানির বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে। আছে পেশাদারিত্বের অভাবের কথাও। বলা হয়েছে, পদোন্নতি ও নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনেক সময় পক্ষপাতিত্ব করা হয়। এই বিষয়টা সামনে এসেছে। লজ্জাজনক ঘটনা হল, যখন কোনো সেনা অফিসারের কাছে কাউকে যৌন হেনস্থার সম্মুখীন হতে হয়।

উল্লেখ্য, বায়ু সেনার ইতিহাসে এমন ঘটনা প্রথম হলেও, এর আগে দু’ জন সেনাপ্রধান — ফিল্ড মার্শাল কে এম কারিয়াপ্পা ১৯৫০ সালের ১মে (যিনি পরে জেনারেল হয়েছিলেন) এবং ১৯৮৬ সালে ১ ফেব্রুয়ারি জেনারেল কে সুন্দরজি এই একই অস্ত্র প্রয়োগ করেছিলেন বাহিনীর যোদ্ধাদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here