ধনী শহর মুম্বই, কলকাতায় ধনী বালিগঞ্জ আর আলিপুর, বলছে সমীক্ষা

0
281

নয়াদিল্লি : ভারতের মধ্যে সব চেয়ে ধনী শহর মুম্বই। প্রায় ৪৬০০০ মিলিয়নেয়ার আর ২৮ জন বিলিয়নেয়ারের বাসভূমি এই শহর। একটি রিপোর্ট বলছে, এই শহরে মোট ৮২০০০ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। নিউ ওয়ার্ল্ড ওয়েলথের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ধনী শহরের এই তালিকায় দ্বিতীয়তে রয়েছে দিল্লি আর তৃতীয়তে বেঙ্গালুরু। পরিসংখ্যানটি করা হয়েছে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে। 

delhi

তথ্য বলছে, দিল্লিতে বাস করেন ২৩ হাজার মিলিয়নেয়ার আর ১৮ জন বিলিয়নেয়ার। মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৪৫হাজার কোটি টাকার। অন্য দিকে বেঙ্গালুরুর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৩২ হাজার কোটি টাকার। এখানে বাস করেন ৭ হাজার ৭০০ জন মিলিয়নেয়ার আর ৮ জন বিলিয়নেয়ার।

প্রথম ধনী শহরের বিভিন্ন এলাকাকেও আলাদা আলাদা ভাবে ধনী এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থা। এইগুলির মধ্যে রয়েছে, বান্দ্রা, জুহু, গোরেগাঁও, পারেল, ওরলি ও অন্য জায়গাও। রয়েছে দিল্লির কিছু জায়গার নামও, যেমন- ওয়েস্টেন্ড গ্রিনস, ডেরামান্ডি, গ্রেটার কৈলাস ইত্যাদি। কলকাতার মধ্যে বালিগঞ্জ আর আলিপুর, চেন্নাইয়ের বোট ক্লাবস রোড আর পোয়েস গার্ডেনের নামও রয়েছে। 

haedrabad

তালিকার চতুর্থ স্থানে হায়দরাবাদ। মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৩১ হাজার কোটি টাকা। এখানে ৯ হাজার মিলিয়নেয়ার আর ৬ জন বিলিয়নেয়ার বসবাস করেন।  

kolkata

পঞ্চম কলকাতা। এখানে ৯ হাজার ৬০০ জন মিলিয়নেয়ার বাস করেন। বিলিয়নেয়ার আছেন এই শহরে মাত্র ৪ জন। কলকাতা শহরের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২৯ হাজার কোটি টাকার।

এ ছাড়াও তালিকায় রয়েছে পুনে ( সম্পত্তির পরিমাণ ১৮ হাজার কোটি টাকা, মিলিয়নেয়ার সাড়ে চার হাজার, বিলিয়নেয়ার পাঁচ জন), চেন্নাই ( মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১৫ হাজার কোটি টাকা, মিলিয়নেয়ার ছ’হাজার ছয় শো জন, বিলিয়নেয়ার চার জন), গুরগাঁও (মোট সম্পত্তি ১১ হাজার কোটি টাকা, চার হাজার জন মিলিয়নেয়ার,  দু’জন বিলিয়নেয়ার)।

মোট সম্পত্তির পরিমাণ হিসেব করে তালিকায় জায়গা পেয়েছে সুরাত, আমদাবাদ, বিশাখপতনম, গোয়া, চণ্ডীগড়, জয়পুর, বডোদরা।

নিউ ওয়ার্ল্ড ওয়েলথের পরিসংখ্যানে ডিসেম্বর অবধি নেওয়া হিসেব বলছে, ভারতের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৬ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। দেশে রয়েছেন মোট দু’ লাখ ৬৪ হাজার জন মিলিয়নেয়ার আর ৯৫ জন বিলিয়নেয়ার। 

আগামী দশকে স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি, আর্থিক, জমিজমার ব্যবসা, গণমাধ্যম-সহ সমস্ত ক্ষেত্রগুলোতে আরও উন্নতি হবে বলে মনে করছে পরিসংখ্যাণকারী সংস্থাটি। 

 

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here