অন্ধ্রপ্রদেশে লাইনচ্যুত হিরাখণ্ড এক্সপ্রেস, হত ৩৬, আহত ১০০

0
83

ভুবনেশ্বর: অন্ধ্রপ্রদেশের ভিজিয়ানাগ্রাম জেলার কুনেরু স্টেশনের কাছে লাইনচ্যুত হল জগদলপুর-ভুবনেশ্বর হিরাখণ্ড এক্সপ্রেস। জগদলপুর থেকে ভুবনেশ্বর যাওয়ার পথে শনিবার রাত ১১টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনায় মারা গিয়েছেন ৩৬ জন, আহত ১০০। বিধ্বস্ত কোচগুলিতে অনেক যাত্রী এখনও অনেকে আটকে রয়েছেন। তাই মৃত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। চলছে উদ্ধারকাজ।

আরও পড়ুন: ভারতের দশটি ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা

ট্রেনের ইঞ্জিন ছাড়াও ন’টি কোচ লাইনচ্যুত হয়ে যায়। এর মধ্যে রয়েছে লাগেজ ভ্যান, দুটি জেনারেল কোচ, দুটি স্লিপার কোচ, একটি এসি থ্রি টায়ার এবং একটি এসি টু টায়ার।

অ্যাডিশনাল ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার অজয় অরোরা জানান, এ পর্যন্ত ৩৪ জনের দেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।  

দুর্ঘটনার পিছনে নাশকতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না রেলের আধিকারিকরা। তাঁদের সন্দেহ, কুনেরু স্টেশনের কাছে রেললাইনের ক্ষতি করা হয়।  রেল সূত্রে বলা হয়েছে, অঞ্চলটি নকশাল অধ্যুষিত। তার ওপর ২৬ জানুয়ারি এগিয়ে আসছে। সুতরাং নাশকতা হয়ে থাকতেই পারে। হিরাখণ্ড এক্সপ্রেসের কিছুক্ষণ আগে ওই লাইন দিয়ে একটি মালগাড়ি নিরাপদে পার হয়ে যায় । তার পর রেলকর্মীরা লাইন পরীক্ষা করে দেখেন। কোনো ত্রুটি ধরা পড়েনি। কিন্তু  হিরাখণ্ড এক্সপ্রেসের ড্রাইভার ট্রেন বেলাইন হওয়ার ঠিক আগে একটা পটকা ফাটার শব্দ শুনতে পান। পরে দুর্ঘটনাস্থলে রেললাইনে একটা বড়ো ফাটল দেখতে পাওয়া যায়।

রেলের তরফে এ সব কথা জানা গেলেও, দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে সংশয় থেকেই যায়। রেলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেকেই যাত্রীসুরক্ষায় রেলের গাফিলতি নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।  


গত বছরের নভেম্বরের ২০ তারিখে কানপুরের কাছে লাইনচ্যুত হয় পটনা-ইনদওর এক্সপ্রেস। মারা যান ১৪৩ জন যাত্রী। কিছুদিন পরই লাইনচ্যুত হয় শিয়ালদা-অজমের এক্সপ্রেস।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here