প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা চার বিচারপতির পরিচয় জেনে নিন

0
277
supreme court judges

ওয়েবডেস্ক: দেশের বিচারব্যবস্থার ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা ঘটল শুক্রবার। সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করলেন চার বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্ট যে ঠিক পথে চলছে না, সে কথা বলে ওই চার বিচারপতি গণতন্ত্রকে রক্ষা করার ডাক দিলেন।

যে চার বিচারপতি এই নজিরবিহীন বিদ্রোহ করে দেখালেন, তাঁদের সম্পর্কে একটু জেনে নেওয়া যাক।

১) বিচারপতি জস্তি চেলামেশ্বর

১৯৫৩-এর ২৩ জুন অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণা জেলায় জন্ম চেলামেশ্বরএঁর। চেন্নাইয়ের লয়লা কলেজ থেকে ফিজিক্স নিয়ে স্নাতকের পর ১৯৭৬-এ অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন পাশ করেন তিনি।

১৯৯৭-এর ২৩ জুন, অন্ধ্র হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতির পদে উন্নীত হন তিনি। এর দু’বছর পরেই হাইকোর্টের বিচারপতি হন চেলামেশ্বর। ২০০৭-এর ৩ মে, গুয়াহাটি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন তিনি। এর তিন বছর পরে কেরল হাইকোর্টে বদলি করা হলে, সেখানে তিনি প্রধান বিচারপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। ২০১১-এর ১০ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হন চেলামেশ্বর।

২) বিচারপতি রঞ্জন গগই

১৯৫৪-এর ১৮ নভেম্বর জন্ম গগইয়ের। ১৯৭৮-এ ওকালতিতে যোগ দেন তিনি। ২০০১-এর ২৮ ফেব্রুয়ারি গুয়াহাটি হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন তিনি। ২০১০-এ তাঁকে বদলি করা হয় পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে। ২০১১-এর ১২ ফেব্রুয়ারি পঞ্জাব ও হরিয়ানা আদালতের প্রধান বিচারপতি হিসেবে উন্নীত হন গগই। ২০১২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে যোগ দেন গগই।

৩) বিচারপতি মদন ভিমরাও লোকুর

১৯৫৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর জন্ম এমভি লোকুরের। ১৯৭৭ সালে আইনজীবী হিসেবে নথিভুক্ত হয় লোকুরের নাম। ১৯৯৮ সালের ১৪ জুলাই কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি। ২০১০-এর ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ মে পর্যন্ত দিল্লি হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। ২০১০-এর ২৪ জুন থেকে ২০১১-এর ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত গুয়াহাটি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ছিলেন তিনি। এর পরের ছ’মাস অন্ধ্র হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিও ছিলেন তিনি। ২০১২-এর ৪ জুন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি।

৪) বিচারপতি কুরিয়ান জোসেফ

৩০ নভেম্বর ১৯৫৩-য় কেরলে জন্ম বিচারপতি কুরিয়ান জোসেফের। ১৯৭৯-এ কেরল হাইকোর্টে ওকালতি শুরু করেন তিনি। ২০০০-এর ১২ জুন, কেরল হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে উন্নীত হন তিনি। দু’বার কেরল হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। ২০১০-এর ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৩-এর ৭ মার্চ পর্যন্ত হিমাচল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ছিলেন জোসেফ। পরের দিনই সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here