স্টেন্টের দাম কমায় একটু সস্তা হল হৃদয়ের চিকিৎসা

0
652

ওয়েবডেস্ক : আকাশ ছোঁয়া দাম ছিল হৃদরোগের চিকিৎসা ও হৃদয়ে অস্ত্রোপচারের বিভিন্ন সরঞ্জামের। সেই দামের পরিবর্তন করে তা ক্রমশ মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ন্যাশনাল ফার্মাসিটিক্যাল প্রিসিং অথরিটি (এনপিপিএ)। সেই উদ্দেশ্যে আবার পরিবর্তন করা হল হৃদয়ে জীবনদায়ী স্টেন্টের দামে। ন্যাশনাল ফার্মাসিটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি (এনপিপিএ) ড্রাগ ইলিউটিং স্টেন্টের (ডিইএস) দাম কমাল ১৭১০ টাকা। অন্যদিকে বেয়ার মেটাল স্টেন্টের দাম বাড়ানো হল ৪০০ টাকা। পরিবর্তনের পর ডিইএস-এর দাম হল ২৭৮৯০ টাকা, বেয়ার মেটাল স্টেন্টের দাম হল ৭৬৬০ টাকা। জিএসটি বাদ দিয়ে এই দাম ধার্য করা হয়েছে। এনপিপিএ ২০১৭ সালে শেষবার দাম পরিবর্তন করেছিল। এনপিপিএ জানিয়েছে, এই সমস্ত সরঞ্জামের দাম আলাদা আলাদা ভাবে বিলে উল্লেখ করতে হবে। এই নতুন দাম ২০১৯ সালের ১৯ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে দাম কমায় মোটেই খুশি নন এই সব যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। এতে ট্রেডমার্জিন ৮% ধাক্কা খেল বলে জানিয়েছে তারা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকরা বলছেন, এই দাম পরিবর্তনের ফলে কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। ২০১৭ সালের দাম পরিবর্তন সত্বেও বিভিন্ন হাসপাতালের পক্ষ থেকে রোগীর পরিবারের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে। তা বন্ধ করতেই এ বার কড়া পদক্ষেপ।

নানাবতী হাসপাতালের চিফ অপারেটিং অফিসার ডাঃ রাজেন্দ্র পটনাকর বলেন, এ বারে খুব দ্রুত এই দাম চালু করা হয়েছে। এক জন রোগীর এনজিওপ্ল্যাস্টির জন্য দু’টি স্টেন্টের দরকার ছিল। তার কাছ থেকে আলাদা ভাবে এর নতুন দামই নেওয়া হয়েছে। সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে ৫% জিএসটি। এমন অভিজ্ঞতার কথা জানান সুরানা গ্রুপ হসপাতালের ডাঃ সুরানাও।

বিজ্ঞাপন

অখুশি এই যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। তাদের মতে, যে ভাবে দাম কমছে তাতে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা দায়। এই নতুন দাম ব্যবসার আরও ক্ষতি করছে। ফলে আগামী এক বছর এই দামে কাজ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। ফলে খরচ কমাতে ছাঁটাই করতে হবে সরবরাহকারী কর্মীদের।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here