কসাইখানা বন্ধ, উত্তরপ্রদেশের পথে বিজেপি-শাসিত পাঁচ রাজ্য

0

লখনউ: পথ দেখিয়েছিল উত্তরপ্রদেশ। তাকে অনুসরণ করে এ বার ‘বেআইনি’ কসাইখানা বন্ধ করার পথে আরও পাঁচটি রাজ্য। উল্লেখ্য এই পাঁচটি রাজ্যই বিজেপি-শাসিত। 

ইতিমধ্যেই রাজ্যের সমস্ত বেআইনি কসাইখানা বন্ধ করার জন্য ৭২ ঘণ্টা সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে ঝাড়খণ্ড সরকার। কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাপার রাজ্যের একটা কসাইখানাও খাদ্য সুরক্ষা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার (এফএসএসএআই) ছাড়পত্র পায়নি। অন্য দিকে রাজস্থানের জয়পুরে চার হাজার মাংসের দোকান বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে জয়পুর পৌর নিগম। এপ্রিলের শুরু থেকে এই দোকানগুলি বন্ধ করতে হবে। তবে জয়পুরের মাংস বিক্রেতাদের অভিযোগ, শহরের অন্তত হাজারখানেক দোকান বৈধ, কিন্তু গত বছর ৩১ মার্চের পর তাদের লাইসেন্স পুনর্নবীকরণ করেনি জয়পুর পৌর নিগম।

এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পৌর নিগমের এক আধিকারিক জানান, “লাইসেন্স পুনর্নবীকরণের টাকা দশ থেকে বাড়িয়ে এক হাজার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, কিন্তু এর গেজেট নির্দেশিকা এখনও জারি করা যায়নি।”

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন: মাংসের নানা পদ নিয়ে ভ্রাম্যমান গাড়ি, উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

রাজস্থানের পর আসা যাক উত্তরাখণ্ডে। হরিদ্বারে ইতিমধ্যে তিনটে দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ছত্তীশগঢ়ের রায়পুরে এগারোটি এবং মধ্যপ্রদেশের ইনদওরে একটি দোকান বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই পাঁচটি রাজ্যের পাশাপাশি হরিয়ানাতেও কসাইখানা বন্ধ করার জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আর্জি জানাচ্ছে বিভিন্ন ‘গৌরক্ষক’ দল। হরিয়ানা সরকার এখনও পর্যন্ত কসাইখানা বন্ধ করার নির্দেশ না দিলেও তারা জানিয়ে দিয়েছে ভবিষ্যতে নতুন কসাইখানার জন্য লাইসেন্স দেওয়া হবে না।

এ দিকে নবরাত্রি উপলক্ষে ন’দিনের জন্য মাংসের দোকান বন্ধ রাখার জন্য হরিয়ানার গুরুগ্রামে এ দিন বিক্ষোভ দেখায় শিবসেনার কর্মী সমর্থকরা। তাদের বিক্ষোভ থেকে বাদ যায়নি কেএফসির একটি বিপণন কেন্দ্রও। তাদের আরও দাবি, হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা নাকি মঙ্গলবার মাংস খায় না, তাই ওই দিন দেশের সমস্ত মাংসের দোকান বন্ধ রাখতে হবে।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here