ষাঁড়ের শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে কৃষকদের ঘরে পৌঁছে দেবেন রামদেব

0
511

নয়াদিল্লি: সব কিছু ঠিকঠাক চললে খুব শীঘ্রই বাবা রামদেবের বিদ্যুৎ পৌঁছে যাবে কৃষকদের ঘরে ঘরে। এত দিন মানুষ তাপবিদ্যুৎ, জলবিদ্যুৎ, পরমাণুবিদ্যুৎ, সৌরবিদ্যুৎ ইত্যাদি বিদ্যুতের কথা জানত। কিন্তু ষাঁড়ের শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা কেঊ ভাবতেই পারেননি। এই অভিনব বিদ্যুৎশক্তি বাজারে নিয়ে আসছে বাবা রামদেব ও তাঁর সহযোগী আচার্য বালকৃষ্ণের কোম্পানি পতঞ্জলি।

ইকোনমিক টাইমসের এক রিপোর্টে জানা গিয়েছে, অতি ভারী জিনিস টেনে নিয়ে যাওয়ার যে শক্তি ষাঁড়ের আছে, তাকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায় কি না, তা নিয়ে প্রথম চিন্তাভাবনা শুরু করেন পতঞ্জলির ম্যানেজিং ডিরেক্টর বালকৃষ্ণ। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল, কসাইখানায় পাঠানো থেকে এই প্রাণীগুলোকে বাঁচানো। দেড় বছরের গবেষণায় পতঞ্জলি কোম্পানি প্রাথমিক সাফল্য পেয়েছে। পতঞ্জলির এই উদ্যোগের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ভারতের একটি বহুজাতিক অটোমোবাইল কোম্পানি এবং এক তুর্কি পার্টনার। ইতিমধ্যেই একটি প্রোটোটাইপের নকশা করা হয়েছে।

এই গবেষণা প্রকল্পে যাঁরা জড়িত তাঁদের সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই প্রোটোটাইপে একটি টারবাইন আছে এবং পরীক্ষামূলক ভাবে ওই প্রোটোটাইপ চালিয়ে প্রায় আড়াই কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এ নিয়ে হরিদ্বারে পতঞ্জলির সদর দফতরে যে গবেষণা চলছে ইকোনমিক টাইমসের কাছে তার সত্যতা স্বীকার করেন বালকৃষ্ণ। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ মনে করে এই পুরুষ প্রাণীটিকে দিয়ে কিছু হয় না। যে সময়ে এই পুরুষ প্রাণীটিকে বেশি বেশি করে কসাইখানায় পাঠানো হচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে আমরা মানুষের এই ধারণাটা পালটাতে চাই। দিনের বেলায় এই প্রাণীটিকে খামারের কাজে লাগানো যেতে পারে আর সন্ধ্যায় এদের লাগানো যেতে পারে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে।”

বালকৃষ্ণ বলেন, তাঁদের উদ্দেশ্য দু’টো। এক, এই পুরুষ প্রাণীগুলোকে বাঁচানো, আর দুই, যাঁদের বিদ্যুৎ কেনার ক্ষমতা নেই, সেই সব গরিব মানুষের ঘরে বিদ্যুতের আলো জ্বালানো।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here