হল না হোয়াইট ওয়াশ, তীরে এসে তরি ডোবালেন কেদার

0
81

কলকাতা: একেই বলে তীরে এসে তরি ডোবা। শেষ ওভারে দরকার ১৬। ক্রিজে ৮০ রানে অপরাজিত কেদার যাদব। ওভারের প্রথম দু’বলে ছক্কা আর চার। ব্যবধান কমে দাঁড়াল ৪ বলে ৬। ইডেন তখন উল্লসিত। হোয়াইট ওয়াশের স্বপ্নে বিভোর টিম বিরাট। কিন্তু না, হল না। পরের চার বলে একটাও রান এল না। ফিরে গেলেন কেদার। ভারত হারল ছ’রানে।

পুনে আর কটক বুঝিয়েছিল এই সিরিজের থিম। বোলারদের বারোটা বাজিয়ে তাণ্ডব চালাবেন ব্যাটসম্যানরাই। তবে গত দুটো ম্যাচের তুলনায় এ দিন কিছুটা ‘দাপট’ দেখান বোলাররা। রবিবাসরীয় ইডেনে টস জিতে শিশিরের কথা ভেবে প্রথমে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেন বিরাট। শুরুতে ইংল্যান্ডের উইকেট না পড়লেও, যে দাপটে আগের দুটো ম্যাচে শুরু করেছিলেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার, সেই দাপট দেখা যায়নি। ইংল্যান্ড ইনিংসে সর্বোচ্চ রান করেন রয় (৬৫)। অর্ধশতরানের গণ্ডী পেরোন বেয়ারস্টো (৫৬) আর স্টোক্সও (অপরাজিত ৫৭)। ভারতের হয়ে তিনটে উইকেট নেন পাণ্ড্য। ৫০ ওভারে আট উইকেটে ৩২১ করেই ক্ষান্ত থাকে ইংল্যান্ড।

৩২২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ফের ধাক্কা খায় ভারতীয় ব্যাটিং। ওপেনারদের রান না পাওয়া এই সিরিজের একটা ট্রেন্ড হয়ে গিয়েছে, সেই ধারা বজায় রেখেই দ্রুত ফেরেন রাহানে (১) আর রাহুল (১১)। চার নম্বরে নামা যুবরাজের সঙ্গে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন কোহলি। কিন্তু কেরিয়ারের ৩৯তম অর্ধশতরান পূর্ণ করেই প্যাভিলিয়নের পথ দেখেন তিনি। কটকের সুপারহিট জুটির ওপরই তখন ভারতের ভাগ্য। তবে কটকের কিছুটা ঝলক দেখালেও বেশি দূর এগোয়নি যুবরাজের ইনিংস। ৪৫ রানে ফিরে যান যুবি। ২৫ রানে ফেরেন ধোনি। ভারতের স্কোর তখন পাঁচ উইকেটে ১৭৩।

এই জায়গা থেকেই মোড় ঘুরে যায় ভারতের ব্যাটিং-এর। নেপথ্যে কেদার আর পাণ্ড্যর দুরন্ত পার্টনারশিপ। দুজনের ব্যাট থেকেই বেরোয় অর্ধশতরান। দুজনের জুটিতে ওঠে ১০৪। ৫৬ রানে যখন পাণ্ড্য ফেরেন, ভারতের তখন ২৭ বলে দরকার ৪৫। উলটো দিকে উইকেট পড়তে থাকলেও, এক দিক ধরে রেখে কেদারই অবিশ্বাস্য জয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন বিরাটবাহিনীকে। তবে শেষ ওভারের ক্রিস ওক্সের শেষ চারটে বলই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিল।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here