বদলা বা বদল নয়, চেনা শত্রুর কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করে বিদায় কলকাতার

0
339

কলকাতা ১০৭ [সূর্যকুমার ৩১, ইশাঙ্ক ২৮, কর্ণ শর্মা ৪-১৬]

মুম্বই ১১১-৪ [ক্রুনাল ৪২ অপরাজিত, রোহিত ২৬, চাওলা, ২-৩২]

বেঙ্গালুরু: বদলা বা বদল কিছুই হল না। হল না কোনো স্বপ্নপূরণ। চেনা শত্রু মুম্বইয়ের কাছে হেরে এ বারের মতো আইপিএল থেকে বিদায় নিল কলকাতা নাইটরাইডার্স।

বিজ্ঞাপন

তাও কলকাতার বোলাররা কিছুটা লড়াই করায়, জয়ের টার্গেটে পৌঁছোতে কিছুটা বেগ পেতে হয় মুম্বইকে। নইলে ব্যাটসম্যানরা যে ভাবে কলকাতাকে ডুবিয়ে দিয়েছিলেন তাতে আরও বেশি লজ্জা অপেক্ষা করছিল টিম গম্ভীরের।

ম্যাচের ভাগ্য তখনই অনেকটা নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল যখন টসে হারেন গম্ভীর। কেকেআর ফিরে যায় তাদের পুরোনো লিন-নারিন ওপেনিং জুটিতে। সপ্তাহ দুয়েক আগে এই বেঙ্গালুরুতেই রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়েছিলেন দু’জনে। শুক্রবার শুরু থেকেই অবশ্য দু’জনেই নিষ্প্রভ। দ্বিতীয় ওভারে ফিরে যান লিন, ব্যাস শুরু হয়ে যায় উইকেট পতন। সপ্তম ওভারের মধ্যেই পাঁচ উইকেট পড়ে যায় নাইটদের, স্কোরবোর্ডে তখন সবে ৩১। এর পর অবশ্য কলকাতাকে ম্যাচে কিছুটা ফেরাতে শুরু করেন ইশাঙ্ক জাগ্‌গি এবং সূর্যকুমার যাদব।

সূর্য এবং ইশাঙ্কের মধ্যে ৫৬ রানের পার্টনারশিপ তৈরি হয়। কিন্তু ইশাঙ্ক ফিরে যেতে ফের তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে কেকেআর। জবাব ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো করেনি মুম্বই। ৩৪ রানের মধ্যে তিনটে উইকেট খুইয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল মুম্বই। কিন্তু সেখান থেকে ক্রুনাল পাণ্ড্যকে সঙ্গে নিয়ে দলকে বিপন্মুক্ত করেন রোহিত শর্মা। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে রোহিত আউট হলেও জয়ের টার্গেটে পৌঁছে যেতে কোনো সমস্যা হয়নি মুম্বইয়ের।

তিন বছর পর ফের আইপিএল জয়ের আশায় বুক বাঁধছিলেন নাইট সমর্থকরা। সেই আশা এ ভাবে ভেসে যাওয়ায় তাঁরা যে হতাশ হবেন সেটা বলাই বাহুল্য। এ বারের মতো যাত্রা শেষ কলকাতার। অপেক্ষা পরের বছর। নতুন নিলামে তৈরি হবে নতুন দল। সেই দল নিয়ে কলকাতা কী করে সেটাই দেখা যাবে এক বছর পর।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here