টিকিট, অনুশীলনের বিতর্কে মাঠের বাইরের ডার্বি শুরু

0
80

সানি চক্রবর্তী:

মাঠে বাঙালির সব থেকে বড়ো লড়াই শুরু হতে আর বেশি সময় বাকি নেই। কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামের বাইরে টিকিট কাটার উন্মাদনাটাই যেন বলে দেয়, দু’ভাগ হয়ে সম্মুখসমরে নেমে পড়া এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। যদিও মাঠের বাইরের লড়াইটা ইতিমধ্যে জোরকদমে শুরু হয়ে গিয়েছে।

টিকিট বিতর্কে মাঠের বাইরে আত্মঘাতী গোল হজম করে বসেছে ইস্টবেঙ্গল। আবার নিজেদের হোম ম্যাচের সুবিধা নিয়ে অনুশীলনের সময়ের লড়াই জিতে এক গোল শোধও করেছে।

টিকিটে মোহনবাগান ক্লাবের নাম ভুল ছাপানোয় বৃহস্পতিবার ইস্টবেঙ্গলকে টিকিট বদলে ফেলার নির্দেশ দেয় ফেডারেশন। উল্লেখ্য, ইস্টবেঙ্গলের হোম ম্যাচ উপলক্ষে টিকিট ছাপানোর দায়িত্ব ছিল তাদের নিজেদেরই। প্রতিপক্ষ মোহনবাগানের নামের সঙ্গে ভুলবশত তারা জুড়ে দেয় সবুজ-মেরুনের আগের স্পনসর ম্যাকডোয়েলের নাম। যা দেখে ফেডারেশনের দ্বারস্থ হয় মোহনবাগান। বাগান কর্তা সৃঞ্জয় বসু তো একধাপ এগিয়ে বলেই বসেন, “এটা অনিচ্ছাকৃত ভুল নয়, বরং জেনেশুনে করা ভুল।” গোটা বিষয়টিতে ফেডারেশনের কাছে চিঠি দিয়ে অভিযোগ করে তারা। আই লিগের সিইও সুনন্দ ধর জানিয়ে দেন, “মোহনবাগানের অভিযোগের আগেই ব্যাপারটা আমাদের নজরে এসেছিল। টিকিট পালটে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইস্টবেঙ্গলকে।” এই অবস্থায়, পুরোনো টিকিটেই মোহনবাগানের লোগোর উপরে নতুন করে লোগোর স্টিকার লাগিয়ে ভুল সংশোধন করা হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার। পাশাপাশি যারা টিকিট ইতিমধ্যে কেটে ফেলেছেন, তাদের কাছে পালটে নেওয়ার আবেদন করেছেন তিনি। ব্যাকফুটে গিয়েও “কাউকে ছোটো করার আগে, নিজের শালীনতা বোধটা মনে রাখা দরকার” বলে পালটা খোঁচা দিতেও ছাড়েননি লাল-হলুদের এই কর্তা।

টিকিট নিয়ে ব্যাকফুটে থাকার মাঝেই অনুশীলন নিয়ে মোহনবাগানকে পিছনে ফেলে দেয় তারা। সঞ্জয় সেন শনিবার তার দলকে কাঞ্জনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে অনুশীলন করাতে চেয়েছিলেন সকাল ৮ টা থেকে। কিন্তু ট্রেভর জেমস মরগ্যান আগে থেকেই সকাল সাড়ে আটটায় মাঠ চেয়ে রাখায় মোহনবাগানের আবেদন গ্রাহ্য করেনি ইস্টবেঙ্গল। তাদের বলা হয়েছে, সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে যে কোনো একটা সময় বেছে নিতে। গতবারে মূল মাঠে অনুশীলন না করতে পারার অভিজ্ঞতা এখনও টাটকা। তাই কোনো ঝামেলায় না গিয়ে সকাল ১১টা থেকেই দলকে কাঞ্জনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে অনুশীলন করাতে রাজি হয়ে গিয়েছেন সঞ্জয় সেন।

অল্প সংখ্যক টিকিটের জন্য শিলিগুড়িতে প্রথম দিনই উপচে পড়েছিল ভিড়। বৃহস্পতিবার থেকেই ইস্টবেঙ্গলের জন্য বরাদ্দ ১৫ হাজার টিকিট বিক্রি শুরু হয়। মোহনবাগান প্রথমে কাউন্টার সেল না করতে চাইলেও পরে রাজি হয়। তাদের জন্য বরাদ্দ হয়েছে প্রায় ৪-৫ হাজার টিকিট।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here