মাত্র এক নম্বরের জন্য মেধা তালিকা থেকে বাদ, স্ক্রুটিনির কথা ভাবছে বাঁকুড়ার দুই কৃতী

0
862
bankura
indrani
ইন্দ্রাণী সেন

বাঁকুড়া: এক নম্বর যে জীবনে কতটা প্রভাব বিস্তার করে শুক্রবার বুঝেছে বাঁকুড়ার দুই কৃতী। মাত্র এক নম্বরের জন্য উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম দশজনের মেধা তালিকায় স্থান পেল না বাঁকুড়ার ইন্দপুরের ভেদুয়াশোল উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র সৌম্যজিৎ পাত্র ও রাইপুরের গড়রাইপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী সীমা মিশ্র। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় এ বার দশম স্থান অধিকার করেছে যারা তাদের প্রত্যেকেরই প্রাপ্ত নম্বর ৪৮১। বাঁকুড়ার এই দুই কৃতীর প্রাপ্ত নম্বর ৪৮০।

ইন্দপুরের ভেদুয়াশোল উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র সৌম্যজিৎ কলা বিভাগ থেকে  বাংলায় ৯৪, ইংরেজিতে ৯২, সংস্কৃতে ৯৮ ও দর্শনে ৯৪ পেয়েছে। সৌম্যজিৎ  বলে, “পরীক্ষা ভালো হয়েছিল, ভালো ফল আশা করেছিলাম কিন্তু এক নম্বরের জন্য মেধা তালিকায় স্থান না পাওয়ায় খুব খারাপ লাগছে।” মেধা তালিকায় আসার জন্য ইংরেজিতে পুনর্মূল্যায়ন করতে দেওয়ার কথা চিন্তা করছে সে। ভবিষ্যতে প্রশাসনিক পদে চাকরি করার স্বপ্ন দেখে সৌম্যজিৎ। ছেলের সাফল্যে অত্যন্ত খুশি মা-বাবা।

অন্য দিকে একই অবস্থা বাঁকুড়ার চিলতোড় গ্রামের গড়রাইপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী সীমা মিশ্রর। এ বার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কলা বিভাগ থেকে  বাংলায় ৯৫, ইংরেজিতে ৯০,সংস্কৃতে ৯৫, ভূগোল ও দর্শনে ৯৭ ও মর্ডান কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনে ৯৬ পেয়েছে। সীমা ভূগোল নিয়ে পড়াশোনা করে অধ্যাপিকা হওয়ার স্বপ্ন দেখে। সৌম্যজিতের মতো সীমাও পুনর্মূল্যায়নের চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। যদিও তার এই সাফল্যে অত্যন্ত খুশি তার বাবা মা এবং পরিবারের সদস্যরা।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here