শিশু চুরি এড়াতে প্রশাসনিক তৎপরতা, কড়া হচ্ছে হাসপাতালের নিয়ম

0
102

কলকাতা: মেডিক্যাল কলেজ থেকে চুরি হয়ে যাওয়া শিশুকে উদ্ধার করা গিয়েছে মঙ্গলবার রাতেই। কিন্তু শিশু চুরির ঘটনার জেরে অবিলম্বে হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে বাধ্য হল মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের সমস্ত ওয়ার্ডে থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা। ৩০০টি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। হাসপাতাল জুড়েই বাড়ানো হচ্ছে নিরাপত্তাকর্মীর সংখ্যা। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, রোগী ভর্তির সময় রোগীর সঙ্গে থাকতে পারবেন একজন আত্মীয়। 

রোগীর আত্মীয়-পরিজনদের জন্য এ বার থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ইস্যু করবে বিশেষ পরিচয়পত্র। এটা ছাড়া হাসপাতালে প্রবেশের অনুমতি পাবেন না কেউ। আয়া-রাজ বন্ধ করতে স্ত্রীরোগ বিভাগ থেকে আয়া তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বুধবার রাজ্যের রোগী কল্যাণ সমিতি একটি বৈঠক ডাকে। সমিতির চেয়ারম্যান ডঃ নির্মল মাজি বলেন, “এখন থেকে রোগীর আত্মীয়রাই হাসপাতালে থাকতে পারবেন”। স্ত্রীরোগ বিভাগে আয়ার পরিবর্তে প্রশিক্ষিত নার্সের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয় বৈঠকে। এখন থেকে প্রসূতি বিভাগে মা এবং শিশুর হাতে থাকবে ট্যাগ।” 

মেডিক্যাল কলেজ সুপার শিখা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, ইতিমধ্যেই শিশু চুরি সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনে। 

বিজ্ঞাপন

কী করে ধরা পড়লেন চিন্ময়ী বেজ?

মঙ্গলবার রাতে বাগমারি এলাকা থেকে শিশু সমেত ধরা পড়েন চিন্ময়ী বেজ। শিশুটিকে নিয়ে নিজের পাড়ায় ফিরে চিন্ময়ী দেবী দাবি করেছিলেন কোলের শিশুটি তাঁর নিজের। তা থেকেই এলাকাবাসীর মনে প্রথম সন্দেহ হয়। খবর দেওয়া হয় স্থানীয় কাউন্সিলারকে। শিশুর মা সরস্বতী নস্করের কাকিমা মিতালী দেবী জানান, চিন্ময়ীর বাড়িতে ঘরের দরজা বন্ধ করে ছিলেন তিনি। স্বামী এসে দরজা খোলেন। শিশুর মুখ থেকে ঢাকা সরাতেই মোবাইলের ছবি মিলিয়ে নিশ্চিত হন সরস্বতীর পরিবারের লোকজন, এটিই তাঁদের চুরি যাওয়া শিশু। অবশেষে পুলিশ এসে উদ্ধার করে শিশুটিকে। গ্রেফতার করা হয় চিন্ময়ী বেজকে। 

 

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here