একুশতম জেলা হল কালিম্পং, একগুচ্ছ প্রকল্প ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

0
90

কালিম্পং: পশ্চিমবঙ্গের একুশতম জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল কালিম্পং। মঙ্গলবার কালিম্পঙের মেলা গ্রাউন্ডে আয়োজিত এক প্রশাসনিক অনুষ্ঠানে সরকারি ভাবে কালিম্পং জেলার সূচনা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অনুষ্ঠানমঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রথমে ১৪ ফেব্রুয়ারির নতুন সংজ্ঞা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, “এখন থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি কালিম্পং দিবস হিসেবে পালিত হবে।” অনুষ্ঠানমঞ্চে নাম না করে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চাকেও এক হাত নেন মমতা। পাহাড়ে যে তিনি কোনো রকম অশান্তি বরদাস্ত করবেন না, সেই কথা উল্লেখ করে মমতা বলেন, “আমাদের সঙ্গে রাজনৈতিক ভাবে লড়াই করতে না পেরে কিছু দল অশান্তি ছড়াচ্ছে। আমরা কিন্তু কোনো অশান্তি বরদাস্ত করব না। পাহাড়ের মানুষ শান্তি চায়। আমরা বিশ্বাস করি একতাই বল।”

তিনি ক্ষমতায় আসার পর পাহাড়ের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্য মোট পনেরোটি উন্নয়ন বোর্ড বানানো হয়েছে, এই দাবি করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন পাহাড়ের সমস্ত ক্ষমতার ভার থাকবে জিটিএ এবং স্থানীয় পুরসভাগুলির ওপর। পর্যটন উত্তরবঙ্গের প্রধান সম্পদগুলির একটা। সেই পর্যটনের প্রসারে গত ছ’বছরে রাজ্য সরকার অনেক উন্নয়ন করেছে, এই কথা উল্লেখ করে মমতা বলেন, “কালিম্পঙে হিল টপ টুরিস্ট লজ তৈরির পাশাপাশি মর্গ্যান হাউসের উন্নয়ন করা হয়েছে।” নতুন জেলায় সড়ক উন্নয়ন প্রসঙ্গে মমতা বলেন, “কালিম্পং থেকে সিকিম যাওয়ার সিল্ক রুটের উন্নয়নের জন্য ২২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে।” এর পর কালিম্পঙের মানুষদের প্রতি মমতা বলেন, “প্রশাসনিক কাজের জন্য এখন আর দার্জিলিঙে যেতে হবে না এখানকার মানুষদের।” সেই সঙ্গে জল সরবরাহের জন্য নতুন প্রকল্পের কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, গত বছর সেপ্টেম্বরে কালিম্পং-সহ রাজ্যে পাঁচটি নতুন জেলার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার, গরুবাথান, কালিম্পং এক এবং কালিম্পং দুই, এই তিনটে মহকুমা নিয়ে দার্জিলিং জেলা থেকে বেরিয়ে যাত্রা শুরু করল কালিম্পং জেলা।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here