কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দিয়েই গরম বাজারে বেশ কিছু গরম খবর ছড়িয়ে দিয়েছিলেন মুকুল রায়। তিনি দাবি করেছিলেন, তৃণমূলের প্রায় ডজনখানেক বিধায়ক-সাংসদ তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। সময় হলেই তাঁরা শাসক দল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেবেন। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে জেলার কিছু ব্লক স্তরের নেতা-নেত্রীকে বিজেপিতে নিতে সক্ষম হয়েছেন।

কিছু দিন আগেই প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক দীপক ঘোষ আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এ ছাড়া আর বলার মতো কিছু দেখা যায়নি। তবে বলা বন্ধ করছেন না মুকুলবাবু। তিনি শুক্রবারও কলকাতা হাইকোর্ট চত্বরে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি এমন অনেক তৃণমূল নেতাকে জানি যাঁরা নিয়মিত বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলেছেন।’ তাঁর কাছে প্রশ্ন ছিল, পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রাক্তন পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষ কি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন? সেই প্রশ্নের উত্তরেও মুকুলবাবু জানান, ‘এই রাজ্যে কোনো গণতন্ত্র নেই। প্রতিবাদ করলেই তার বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা মূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আমি জানি না ভারতী ঘোষ বিজেপিতে যোগ দেবেন কি না, কিন্তু তৃণমূলের অনেকেই বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক রেছে চলেছেন।’

২০ জন তৃণমূল নেতা বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলছেন, তা প্রায় আট-ন’মাস আগেই জানিয়ে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ওই তালিকায় ছিলেন এমন কিছু বিধায়ক এবং সাংসদ যাঁদের নাম আবার বেশ কয়েকটি দুর্নীতি-কাণ্ডের দৌলতে সিবিআইয়ের খাতাতেও রয়েছে। মুকুলবাবু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সেই অনুমানই দৃঢ় হয়েছে। তবে তিনি বিজেপিতে যাওয়ার পর তেমন কোনো ‘নক্ষত্র পতন’ ঘটেনি তৃণমূলের।

ভারতীদেবী যখন পদে বহাল ছিলেন, তখন কেন তাঁর ‘দুর্নীতি’ নিয়ে রাজ্য সরকার ব্যবস্থা নেয়নি তেমন প্রশ্ন তুলে মুকুলবাবু বলেছেন, ভারতীদেবী তৃণমূল নেত্রীর ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এখন তাঁর হয়ে কাজ করতে না চাওয়াতেই বিরাগভাজন হয়ে পড়েছেন ভারতীদেবী।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here