শীত হোক বা গ্রীষ্ম, পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ বরবটির চাষ বেশ লাভদায়ক

0
379
borboti

ওয়েবডেস্ক: বাঙালির বরবটি বা লম্বা বিনস ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন নামে পরিচিত। যেমন হিন্দিতে লবিয়া, তামিলে কারামনি, তেলুগুতে আলাসান্দা কায়ালু, অসমে লেসেরা, কন্নড়ে আলাসান্দে কায়ি। তবে নাম আলাদা হলেও খাদ্যগুণ এবং স্বাদের খুব একটা ফারাক নেই এই আমিষ সবজিটিতে। খাদ্য বিশারদরা বলে থাকেন, এক দিকে সবজি অন্য দিকে ডাল শস্য, উভয় পুষ্টিগুণই বজায় রয়েছে বরবটিতে।

মূলত গ্রীষ্মকালীন সবজি হিসাবেই পরিচিত বরবটি। তবে বর্তমানে গ্রীষ্ম এবং শীত-উভয় ‌ঋতুতে বরবটির চাষ সম্ভব। এখন আগ্রহায়ণ-পৌষ মাসেও বরবটির চাষ সম্ভব। প্রচণ্ড ঠান্ডা না পড়লে অনায়াসেই বরবটির ফলন ভালো হয়। আগামী মাসখানেকের মধ্যেই শীত প্রায় কমে গেলে বরবটির চাষ বেশ লাভদায়ক হতে পারে।

বরবটির বড়ো সুবিধা এটি দোঁয়াশ এবং বেলে মাটিতে চাষ যোগ্য। বীজ বপনের আগে জমিতে ভালো করে চাষ দিয়ে মই দিতে হবে। জমির উপরিতল সমান থাকলে জলের সমবণ্টন ও মাটির জল ধারণ ক্ষমতায় সামঞ্জস্য থাকে। প্রতি শতক জমির জন্য বীজের প্রয়োজন হয় ১০০ থেকে ১৩০ গ্রাম। চারা বড়ো হতে থাকলে জলের জোগান অব্যাহত রাখতে হবে নিয়মিত ভাবে। নজর রাখতে হবে পাতায় ছিদ্র সৃষ্টিকারী পোকা, জাব পোকা বা মোজাইক রোগ যাতে না ধরে। ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই কীটনাশকের ব্যবহার করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

ফলন বাড়ানোর জন্য ইউরিয়া, গোবর সার, টিএসপি এবং এমওপি-র প্রয়োগ করতে হবে।

বীজ বোনার দু’মাসের মধ্যেই ফলন শুরু হয়ে যায় বরবটির। সাধারণত গড়ে শতক প্রতি ৪০-৫০ কেজি বরবটির ফলন সম্ভব।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here