বিরাট রেকর্ডের দিন রাজসিক প্রত্যাবর্তন ঋদ্ধির

0
89

হায়দরাবাদ: রাজসিক প্রত্যাবর্তন। বাঙালি ক্রিকেটারদের সঙ্গে এই শব্দটি যেন ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে। এক দশক ধরে এক বঙ্গসন্তান চুটিয়ে খেলেছেন ভারতের হয়ে। পাঁচ বছর দলের অধিনায়কত্বও করেছেন, আবার দল থেকে বাদও পড়েছেন। কিন্তু যখনই দলে ফিরে এসেছেন, ঘটিয়েছেন রাজসিক প্রত্যাবর্তন। অন্য এক বঙ্গসন্তানের কাহিনিটা অনেকটাই এক। তিনটে টেস্ট দলের বাইরে থাকার পর কামব্যাক যখন করলেন, ব্যাট থেকে বেরোল শতরান।

কিন্তু দুই বঙ্গসন্তানের ভাগ্য কিছুটা আলাদা। প্রথম জন অর্থাৎ সৌরভ গাঙ্গুলি, সব সময় থাকতেন নির্বাচকদের কুনজরে। এক বার ব্যর্থ, ব্যাস দলের বাইরে। দ্বিতীয় জন অর্থাৎ ঋদ্ধিমান সাহার ভাগ্য অবশ্য আলাদা। টিম ম্যানেজমেন্টের প্রিয় পাত্র তিনি। তাই চোটের জন্য দলের বাইরে গেলেও, চোট সারিয়ে উঠতেই, দলে জায়গা তাঁর হল, পার্থিব পটেলের নয়। টিম ম্যানেজমেন্টের সেই ভরসার পূর্ণ মর্যাদা দিলেন শিলিগুড়ির পাপালি।

শুক্রবার প্রথম দেড় সেশন অবশ্য আলো করে ছিলেন একজনই। বিরাট কোহলি। ইদানীং বিরাট ব্যাট ধরলেই মনে হয় শতরান নয়, দেড়শো বা দ্বিশতরানের ইনিংস আসছে। এ দিনও তার ব্যতিক্রম হল না। আরও একটি দু’শো এল বিরাটের ব্যাট থেকে। গত সাত মাসে এটি তাঁর চতুর্থ দ্বিশতরান। সেই সঙ্গে তিনি রাহুল দ্রাবিড় আর ডন ব্র্যাডম্যানকে টপকে এক অনন্য রেকর্ড সৃষ্টি করলেন। পরপর চারটি টেস্ট সিরিজে দ্বিশতরানের রেকর্ড। গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর থেকে দ্বিশতরান করা শুরু হয়েছিল তাঁর। তার পর নিউজিল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড, দু’টি সিরিজেই দ্বিশতরান রয়েছে বিরাটের। পরপর তিনটে সিরিজে দ্বিশতরানের রেকর্ড রয়েছে দ্রাবিড় আর ব্র্যাডম্যানের।

৮২ রানে রাহানে আউট হতে এ দিনে নামেন ঋদ্ধি। ইরানিতে দ্বিশতরানের উপহারস্বরূপ সাতের বদলে ছ’নম্বর জায়গায় তাঁকে নামায় টিম। শুরু থেকে কিছুটা জড়সড়ো থাকলেও ক্রমে নিজের হাত খোলেন ঋদ্ধি। ৯৮-তে থাকাকালীন ছক্কা হাঁকান তিনি এবং পৌঁছে যান তাঁর দ্বিতীয় শতরানে।

ছ’উইকেটে ৬৮৬-তে ডিক্লেয়ার করে ভারত। ঋদ্ধিমান অপরাজিত থাকেন ১০৬-এ। ৬০ রানে অপরাজিত ছিলেন জাদেজা।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে খুব একটা খারাপ শুরু করেনি বাংলাদেশ। কিন্তু দিন শেষের একটু আগেই আউট হন তাঁদের ওপেনার সৌম্য সরকার। দিনের শেষের বাংলাদেশের স্কোর এক উইকেটে ৪১।

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here