বসন্তের রঙ মহাকাশেও, গ্রহ-নক্ষত্রের রোমান্স ধরা পড়ল নাসা-র দূরবিনে

0
149

নিউইয়র্ক: কে বলে বিজ্ঞান কেড়ে নিয়েছে আবেগ? দিব্যি দিন কয়েক পর পরই ভাব বিনিময় চলছে মহাকাশের এক নক্ষত্র আর এক গ্রহের মধ্যে। আর ৩৭০ আলোকবর্ষ দূর থেকে পৃথিবীর সব তাবড় বিজ্ঞানীরা কড়া নজর রাখছে সেই দিকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’-র স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপে ধরা পড়েছে মহাকাশের এই ‘মহাপ্রণয়’। নক্ষত্রের নাম হ্যাটপি-টু। বৃহস্পতির ভরের প্রায় ৮ গুণ ভরের একটি নক্ষত্র হ্যাটপি-টু।  গ্রহটি শুধুই হ্যাটপি। হ্যাটপি মাঝেসাঝেই ঘুরতে ঘুরতে চলে আসছে হ্যাটপি-টু এর খুব কাছে। আর তখনই একটা কম্পন বা স্পন্দন অনুভূত (হার্টবিট স্টার) হচ্ছে নক্ষত্রে।

Enterprise
‘নাসা’-র স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপে তোলা মহাপ্রণয়ের ছবি

ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির গবেষক জুলিয়ান জানিয়েছেন, “ভ্যালেন্টাইনস ডে-র সময়ই আমরা এই আশ্চর্য ঘটনা লক্ষ করি”। এই প্রসঙ্গে বিজ্ঞানীদের পর্যবেক্ষণ বিস্তৃত ভাবে প্রকাশিত হয়েছে ‘অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটার-এ’।

স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপ
স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপ

জ্যোতির্বিদ্যায় ‘হার্টবিট স্টার’-এর ভাবনা পূর্বপরিচিত নয়। এত দিন পর্যন্ত অংকের বাইনারি পদ্ধতিতেই প্রচলিত ছিল এই ভাবনা। বিজ্ঞানীরা বলছেন, হ্যাটপি গ্রহের কক্ষপথ নাকি বরাবরই পরিচিত ‘এক্সেন্ট্রিক’ হিসেবে। হ্যাটপি-টুকে কেন্দ্র করে ঘুরতে ঘুরতে সাড়ে পাঁচ দিন অন্তর সে চলে আসে হ্যাটপি-টু’র খুব কাছাকাছি। দু’জনের মাধ্যাকর্ষণ ক্ষেত্রে ঘষা লেগেই স্পন্দন অনুভূত হয় নক্ষত্রে। তার পর হ্যাটপি আবার চলে যায় বেশ কিছুটা দূরে। 

ছবি: নাসা ওয়েব সাইট

বিজ্ঞাপন
loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here