ইস্টবেঙ্গলের পিদে: মাঠে কথা বলতেন কম, গোল করতেন বেশি

0
1016
east bengal football club parimal dey

সমীর গোস্বামী: মাঠের বাইরেও পরিমল দে বা ইস্টবেঙ্গলের পিদে থাকতেন সাধারণ, অমায়িক। কম কথা বলতেন। সব সময় তাঁর মুখে লেগে থাকত হাসি। আর একটা বড়ো গুণ হল, কখনও মানসিক চাপ নিয়ে খেলতেন না। তাই ওঁর ক্রীড়াধারায় সব সময় দেখা যেত বুদ্ধিমত্তার ছাপ।

গড়ের মাঠে এখন তেমন একটা কেউ আর পিদের নাম করেন না। প্রবীণ ক্রীড়াপ্রেমী বা সংবাদিকরা একত্রিত হলে তাঁর কথা অবশ্য উঠে আসে। কেউ কেউ বলেন, ওঁকে আর একেবারেই ময়দানে দেখা যায় না। শোনা যায়, এক সময়ের কাছের লোকেরাই না কি তাঁর খোঁজখবর রাখেন না। বাস্তবে তিনি এখন অন্তরালে চলে গিয়েছেন।

ওঁর খেলা যাঁরা স্বচক্ষে দেখেছেন তাঁরা জানেন কী ভাবে নিজে গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদেরও গোল করাতেন। ওঁর বিশেষত্ব ছিল, পর পর দু’টো পাস দিতেন। এমনও হতো ওই দু’টো পাসেও দু’টো গোল হয়ে গেল। এ ছাড়া তিনি নিজে যে কোনো পজিশন থেকে গোল করতে পারতেন। উচ্চমানের একজন ফুটবলার হয়েও কোনো দিন তাঁকে দেখিনি অহংবোধ প্রকাশ করছেন।

ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে হৃদয় দিয়ে ভালো বাসতেন পিদে। জুনিয়র ছেলেদের নিজের পরিবারের সদস্য মনে করেই বরাবর উৎসাহ দিতেন। তৎকালীন ইস্টবেঙ্গল কর্মকর্তারা তাঁকে বলতেন, কমপ্লিট ফুটবলার। অল্প পরিশ্রমে গোল করা আবার নিখুঁত পাস এগিয়ে দিয়ে গোল করানোর অসাধারণ ক্ষমতা ধরতেন তিনি। বিপক্ষের ডিফেন্ডার এবং গোল রক্ষককে বুদ্ধু বানিয়ে চোখের পলকে গোল করার সেই দৃশ্য কোনো দিনই ভুলবার নয়।

অথচ মাঠের বাইরে সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির। যতদিন খেলেছেন, তাঁকে নিয়ে ইস্টবেঙ্গলে কোনো দিন বিতর্কের সৃষ্টি হয়নি। নিজের ক্লাব তো বটেই বিরুদ্ধে ক্লাবের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে ফুটবলাররাও থাঁকে ভালো বাসতেন, শ্রদ্ধা করতেন।

প্রথম অংশ পড়ুন: ইস্টবেঙ্গলের পিদে, চুনির পর গড়ের মাঠের ড্রিবল হিরো এখন কোথায়?

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here