দুরন্ত ফুটবল খেলেও তিন পয়েন্ট এল না লালহলুদের

0
1704

ইস্টবেঙ্গল-২(জবি, ব্রেন্ডন)        মিনের্ভা-২(সুখদেব, চেঞ্চো)

বারাসত: খালিদকে আর কিছু বলা যাবে না। প্রথমার্ধের ২০ ও ৩৪ মিনিটে ইস্টবেঙ্গল যে দুটো গোল খেল, দুটোই রক্ষণের দোষে। বিশেষত দ্বিতীয় গোলটায় দুই ডিফেন্ডার যে ভাবে মাঠে পড়ে গেলেন, সেরকম পাড়ার খেলায় দেখা যায়। রক্ষণ সংগঠনের দায়িত্ব মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যকে দেওয়া হয়েছে। তিনি যোগ্য মানুষ। সময় জিতেই হবে। কিন্তু ততদিনে আই লিগ শেষ হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন: মিনের্ভা-ম্যাচ শেষে কর্তাদের বিরুদ্ধে লালহলুদ সমর্থকদের বিক্ষোভ, নামল র‍্যাফ

তবে যেটা বলার তা হল, এই ইস্টবেঙ্গল দলটার যা দক্ষতা, সেটা সম্পূর্ণ কাজে লাগাতে এদিন চেষ্টার কসুর করেননি খালিদ মিঞা। দ্বিতীয়ার্ধে যে ফুটবলটা ইস্টবেঙ্গল খেলেছে, তার তুলনা হয়না। ম্যাচের কোনো সময়ই মিনের্ভা, ইস্টবেঙ্গলকে সেভাবে চাপে ফেলতে পারেনি। দুটো গোলই হয়েছে লালহলুদ ডিফেন্সের দোষে কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে সেই ভুলগুলোও করার সুযোগ মেলেনি ইস্টবেঙ্গল রক্ষণের। এমনই দাপট ছিল ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ ভাগের। প্রথমার্ধে না দেওয়া পেনাল্টি রেফারি দ্বিতীয়ার্ধে ক্ষতিপূরণ করলেন বটে। কিন্তু সেটা কাতসুমি মিস করলেন। ঠিক পেনাল্টিটা পেলে, কে জানে, ম্যাচের ফল অন্যরকম হতেই পারত।

দ্বিতীয়ার্ধ জুড়ে আক্রমণের ঝড় তুলল ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু এতদিন মোহনবাগানের হয়ে মাঝমাঠে খেলা ক্রোমা ফরওয়ার্ডে নিজের কাজটা ঠিক বুঝতেই পারলেন না প্রথম দিনে। ডুডু তো ম্যাচ খেলার উপযুক্তই নন। বরং কর্নার থেকে বল পেয়ে হেডে দারুণ গোল করলেন জবি জাস্টিন। পরে আরেকটা গোল শোধ করলেন পরিবর্ত হিসেবে নামা ব্র্যান্ডন।

একটা ভালো স্ট্রাইকার যদি লালহলুদ কর্তারা খালিদকে দিতে পারতেন, তাহলে এই ম্যাচ তো ইস্টবেঙ্গল জিততই, আই লিগটাও হয়তো জিততে পারত।

মিনের্ভার ফুটবল-ভাগ্যর কথাও বলতে হবে। মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল দুই ম্যাচেই তাদের বিরুদ্ধে পেনাল্টি মিস হল।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here