অ্যারোজের বিরুদ্ধে আগে গোল দিলেও রক্ষণাত্মক খেলবো না: খালিদ

0
2511

নয়াদিল্লি: ইংরাজি নতুন বছরের মুহূর্তটা বাসেই কাটল ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলারদের। সাত ঘন্টা বিমান দেরি করায় ইম্ফল থেকে দিল্লির হোটেলে পৌঁছতে রাত একটা বেজে যায় লালহলুদ ফুটবলারদের।  দিল্লির বিমানবন্দর থেকে হোটেলগামী বাসেই রাত বারোটায় নিউ ইয়ার পালন করেন ইস্টবেঙ্গল টিম ম্যানেজমেন্ট।  সোমবার দুপুর বারোটায় মুল স্টেডিয়ামে অনুশীলন করে খালিদ জামিলের দল ।

এই অবস্থায় আই লিগের ক্রীড়াসূচি নিয়ে ক্ষুব্ধ ইস্টবেঙ্গল চিঠি দিল ফেডারেশনকে। চিঠিতে বলা হয়েছে , ইস্টবেঙ্গল গত সাতাশ তারিখ গোকুলাম এফসির বিরুদ্ধে খেলার পরের দিন ভোরে নেরোকার উদ্দেশে রওনা হয়। ইম্ফলে অনুশীলনের জন্য মুল স্টেডিয়ামও দেওয়া হয়নি আমনা-কাটসুমিদের। একত্রিশ(ডিসেম্বর)তারিখ ম্যাচের পরের দিনই দিল্লির উদ্দেশে রওনা হলেও বিমানবন্দরেই বসে থাকতে হয় সকলকে।  সোমবার কিছুটা বাধ্য হয়েই আম্বেডকর স্টেডিয়ামে অনুশীলন করে ইস্টবেঙ্গল। মাত্র এক সপ্তাহে তিনটে ম্যাচ ও ঠাসা সূচি যে ফুটবলারদের ক্ষতি করছে, তাই উল্লেখ করা হয়েছে ফেডারেশনকে পাঠানো চিঠিতে। এরকম কঠিন পরিস্হিতির জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করে ফেডারেশনকে  বলা হয়েছে যে মৌখিকভাবে বহুবার ইন্ডিয়ান অ্যারোজের সঙ্গে ম্যাচটি পিছোতে বলা সত্ত্বেও সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন তাদের কথায় কোনও কর্ণপাতই করেনি।  মূলত তাদের জন্যই, ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলারদের  এরকম দুর্দশাগ্রস্হ   অবস্হার সম্মুখীন হতে হয়। ফুটবলারদের কথা মাথায় রেখে ফেডারেশন যেন ভবিষতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত না নেয়, তাই উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।

যদিও ক্লান্তি দুরে সরিয়ে রেখে ম্যাচ নিয়ে চুড়ান্ত ফোকাসড লালহলুদ শিবির। দুপুর বারোটা থেকে আম্বেদকর স্টেডিয়ামে  একঘন্টা  অনুশীলন করেন  অর্ণব, রফিকরা। প্লাজা ও কাতসুমি চোটের জন্য পুরো অনুশীলন করেননি। পরে সাংবাদিক সন্মেলনে কোচ বলেন, “বিমান দেরি করায় মানসিকভাবে ক্লান্ত ছিলাম। তবে সব ভুলে কালকের ম্যাচ নিয়ে মনোনিবেশ করতে চাই”।

ইন্ডিয়ান অ্যারোজ সম্পর্কে খালিদ বলেন, “ওরা খুব ভাল ফুটবল খেলছে। ছেলেদের মধ্যে জেতার ক্ষিদে আছে। ওরা সবসময় দৌড়োয়”।  ইন্ডিয়ার অ্যারোজের গোলকিপার ধীরাজ খেলবেন না ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে। খালিদ বলছেন, “এটা আমাদের সুবিধা। ও শেষ ম্যাচে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে সেরা ফুটবলার হয়েছে।  দেশের এই মুহূর্তের অন্যতম সেরা কিপার ওই”।  নেরোকা ম্যাচের শেষলগ্নে ডিফেন্সিভ ফুটবল সম্পর্কে কোচ বলেন, “অ্যাওয়ে ম্যাচ বলে ওরকম স্ট্র্যাটেজি নিতে হয়েছিল। তবে সব ম্যাচে সমান ফুটবল খেলব না। মঙ্গলবার একগোল দিলেও ডিফেন্স করব না, ম্যাচ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হয়”।

এদিন  দিল্লিতে প্লাজার এমআরআই করানো হল। ম্যাচের দিন চোটের গুরত্ব বুঝে কোচ প্রথম একাদশে রাখার সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে প্লাজা সাংবাদিক সন্মেলনে আত্মবিশ্বাসের সুরেই বলে গেলেন, “চাপের মধ্যেই শান্ত থাকতে শিখেছি। শুধু গোল করলেই চাপ কমে না। গোলের পাস বাড়াতে পারলেও আমি খুশি হই। কাতসুমি-আমনারা আমাকে সর্বক্ষণ সমর্থন করেন।  ওদের পাশে খেলতে তাই ভালো লাগে”।

এদিকে রবিবার দিল্লিতে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন দীপক ও জবি জাস্টিন।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here