মোহনবাগান-১(মননদীপ-পেনাল্টি)       আইজল-১(খলরিং)

ওয়েবডেস্ক: আগের দুবারই হয় শেষবেলায় গোল খেতে হয়েছে অথবা ক্লান্তির জন্য আর গোল শোধ দেওয়া যায়নি। মোটের ওপর হেরে ফিরতে হয়েছে আইজল থেকে। দুবারই সহকারী কোচ ছিলেন শঙ্করলাল চক্রবর্তী। কোচের দায়িত্ব পেয়ে প্রথম পাহাড় সফরে তাই সেভাবেই স্ট্র্যাটেজি তৈরি করেছিলেন তিনি। আই লিগ জয়ের আশা প্রায় নেই। তাই খামোকা তেড়েফুঁড়ে খেলতে গিয়ে আরেকটা হারের বোঝা মাথায় নিতে চাননি শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবের কোচ। আই লিগের প্রথম চার দলের মধ্যে থেকে সুপার কাপ খেলার আশাটাতো আর শেষ হয়ে যায়নি।

পাহাড়ে খেলতে গিয়ে মোহনবাগান শেষের দিকে ক্লান্ত হয়ে যায়, এ কথা মাথায় রেখে ট্যাকটিক্যাল ফুটবল খেলাচ্ছিলেন আইজল কোচ পাউলো মেনেজেসও। খেলার প্রথম ৬০-৬৫ মিনিট তেমনই চলল। উপভোগ্য ট্যাকটিক্যাল ফুটবল দুই দলের তরফে। এর মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে। পেশিতে টান লেগে অস্বস্তি বোধ করার ডিকাকে তুলে মননদীপকে নামাতে বাধ্য হলেন শঙ্করলাল। ডিকার চোট বড়ো কিছু না হলেই ভাল মোহনবাগানের পক্ষে। কারণ এই আই লিগ মরশুমটা চোটই ডোবাচ্ছে বাগানকে। এছাড়া ম্যাচের ২০ মিনিটে চমৎকার পাসে আইজল রক্ষণ ভেঙে দিয়েছিলেন রেইনার। কিন্তু গত ম্যাচে নজরকাড়া আক্রম ঠিকমতো পায়ে বলের সংযোগ ঘটাতে পারলেন না। নইলে তখনই এক গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান।

তারপর যা হওয়ার তাই হল। ম্যাচের ৬৫ মিনিটের পর থেকে আক্রমণের ঝড় তুলল আইজল। বাগান ডিফেন্সে ত্রাহি ত্রাহি রব উঠলেও চমৎকার খেললেন কিংসলে ও রানা ঘরামি। এ সবের মধ্যেই শিলটন ও রিকির বোঝাপড়ার সামান্য ভুলে ম্যাচের ৭৩ মিনিটে গোল খেয়ে যায় মোহনবাগান। পাহাড়ে গিয়ে আবারও হার যখন প্রায় নিশ্চিত মনে হচ্ছে, তখনই কাউন্টার অ্যাটাক থেকে পেনাল্টি আলাদা করেন আক্রম। মননদীপের জোরালো গড়ানে শট জাল ভেদ করে যায়। তারপর কিছুটা খেলায় ফেলে সবুজমেরুন। কিন্তু ডিকাহীন মোহনবাগানের আক্রমণে ঝাঁঝ ছিল না। ক্লান্তি না রক্ষণশীল ট্যাকটিক্স- সেটা বোঝা গেল না, তবে অদ্ভুত নিরুত্তাপ ফুটবল খেললেন নিখিল কদম ও লিংডো(ফৈয়াজের পরিবর্তে নেমেছিলেন)। এদের জন্যই বারবার ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারলেন ডোডোজ।

যাই হোক, আপাতত আই লিগের পয়েন্ট টেবিলে পাঁচ থেকে চারে উঠে এল শঙ্কলালের দল।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here