আই লিগ ডার্বির পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে ফেডারেশন কাপের ফাইনালে মোহনবাগান

0
2133

মোহনবাগান-২(ডাফি, বলবন্ত)     ইস্টবেঙ্গল-০

কটক: হিরো অফ দ্য ম্যাচ হলেন মোহনবাগানের গোলকিপার। দেবজিতের প্রবল দাপট ছিল গোটা ম্যাচ জুড়েই। উল্টোদিক থেকে বলা যায় ইস্টবেঙ্গলের দাপট ছিল গোটা ম্যাচে। প্রচুর সুযোগও তৈরি করেছিলেন প্লাজা, ওয়েডসনরা। বল দখলেও গোটা ম্যাচে অনেকটা এগিয়ে ছিল লালহলুদ। উল্টো দিকে মোহনবাগান গোটা ম্যাচে পজিটিভ গোলের সুযোগ তৈরি করেছে মোটের ওপর ৪টে। প্রথমার্ধে ২টো, দ্বিতীয়ার্ধে ২টো।

অর্থাৎ মোহনবাগান জিতল শুধুমাত্র তাঁদের ফরওয়ার্ড লাইনের ধারে। সনি, ডাফি, কাতসুমি, বলবন্ত। নইলে এদিন কিন্তু মোটেই শেষ আই লিগ ডার্বির মতো খেলেনি। মিডফিল্ডে বলতে গেলে মোহনবাগানকে খাপই খুলতে দেয়নি রঞ্জন চৌধুরীর ছেলেরা। কিন্তু ওই। ফুটবল তো শেষ পর্যন্ত গোলের খেলা।

প্রথমার্ধের ৩৫ মিনিটের মাথায় কর্নার পোস্টের কাছ থেকে বলবন্তের পাস ধরে চমৎকার সেন্টার করলেন সনি। ততোধিক সুন্দর হেড জালে জড়ালেন ডাফি। ডাফির এদিনের মতো ধার যদি আই লিগের শেষের দিকটায় দেখাতেন, তাহলে এ বছর ভারতীয় ফুটবলে ইতিহাস তৈরি করতে পারত না উত্তরপূর্ব।

ম্যাচের শেষ ১৫-২০ মিনিট মরিয়া ছিল ইস্টবেঙ্গল। থাকারই কথা। ৭৫ মিনিটের সুযোগ নষ্ট করলেন প্লাজা। এদিন তিনি ঢালাও সুযোগ নষ্ট করেছেন। ৭৮ মিনিটে দুর্দান্ত সেভ করলেন দেবজিত। এ সবের মধ্যেই ৮৪ মিনিটে বক্সের মধ্যে ডান কোন থেকে নিচু সেন্টার কাতসুমির। দর্শকদের মাতিয়ে হেড গোলে রাখলেন বলবন্ত।

ওয়েডসন কত চমৎকার খেলেছেন এদিন। সনি কী ভাবে সহজ সুযোগ নষ্ট করেছেন, সে সব লিখ আর ম্যাচ রিপোর্ট বড়ো করার মানে হয় না। শুধু জানানো যাক, সমতলে পেয়ে আই লিগ চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে দিয়েছেন সুনীল ছেত্রীরা। ২১ মে, মানে পরের রবিবার ফেডারেশন কাপ ফাইনালে মোহনবাগান বনাম বেঙ্গালুরু এফসি।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here