জেতা ম্যাচ মাঠে ফেলে এসে আইপিএল খোয়াল পুনে

0
334

মুম্বই ১২৯-৮ (ক্রুনাল ৪৭ অপরাজিত, রোহিত ২৪, উনাড়কাট ২-১৯)

পুনে ১২৮-৬ (স্মিথ ৫১, রাহানে ৪৪, জনসন ৩-২৬)

হায়দরাবাদ: ক্রিকেটের ‘আইজল এফসি’ হওয়া হল না পুনেকে। জয়ের থেকে মাত্র এক রান দূরে থেমে গেল তারা। তৃতীয় বারের জন্য আইপিএলের ট্রফি তুলল মুম্বই।

জেতা ম্যাচ কী ভাবে হেলায় হেরে আসা যায় তার জলজ্যান্ত উদাহরণ দেখাল পুনে। নিজেদের ইনিংসের দশম থেকে পনেরোতম ওভারে ম্যাচ দূরে সরে গেল পুনের থেকে। এমন একটা সময় সরল, যখন ক্রিজে ছিলেন টি২০ ক্রিকেটের দুই কিংবদন্তি মহেন্দ্র সিংহ ধোনি এবং স্টিভ স্মিথ। ধোনি ১৩টা বল খেলে করলেন মাত্র দশ এবং স্মিথ ৫১ করলেও খেললেন ৫০টা বল।

রবিবার ফাইনালে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয় মুম্বই। ফাইনাল বলেই হয়তো স্ট্র্যাটেজি বদল করেছিলেন মুম্বই অধিনায়ক। কিন্তু দেখা গেল প্রথমে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্তটাই কাল হয়ে যায় মুম্বইয়ের।

পুনের বোলিং-এর সামনে শুরু থেকেই উইকেট খোয়াতে শুরু করে মুম্বই। দু’দিন আগে কেকেআরের যে অবস্থা করেছিল মুম্বই, দু’দিন পর তাদের ঠিক একই অবস্থা হল। সম্ভবত পুনের বিরুদ্ধে বারবার হারের ভীতিটা ভেতরে ঢুকে গিয়েছে বোঝা যাচ্ছিল। তাও ভাগ্যিস ক্রুনাল পাণ্ড্যর ব্যাট চলল। তিনি না থাকলে মুম্বই আরও বেশি লজ্জার মুখে পড়ত, সেটা এখনই বলে দেওয়া যায়। ৭ উইকেটে ৭৯ এই অবস্থা থেকে মুম্বই যে ১২৯-এর ভদ্রস্থ স্কোরে পৌঁছোল তার পেছনে ছিল পাণ্ড্যর ইনিংস। পুনের হয়ে দু’টি করে উইকেট নেন উনাড়কাট, জাম্পা এবং ক্রিশ্চিয়ান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে বিশেষ অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়নি পুনেকে। ত্রিপাঠিকে হারালেও ইনিংসকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন অজিঙ্ক রাহানে। কিন্তু রাহানে আউট হতেই পুনের রানের গতিতে ব্রেক লেগে যায়। এক দিকে স্মিথ এবং অন্য দিকে ধোনি থাকলেও, রানের গতি কিছুতেই বাড়ছিল না। মালিঙ্গা, বুমরাহ এবং জনসনের ত্রিফলা আক্রমণের সামনে ক্রমশ ম্যাচ হাত থেকে বেরিয়ে যায় পুনের। শেষ ওভারে এগারো রান দরকার ছিল পুনের। বল হাতে তখন মিচেল জনসন। প্রথম বলে জনসনকে চার মেরে ম্যাচকে নিজেদের পক্ষে টেনে আনেন মনোজ তিওয়ারি। কিন্তু তার পরের দু’টো বলে তিওয়ারি এবং স্মিথকে তুলে ম্যাচকে মুম্বইয়ের কবজায় আনেন জনসন। বাকিটা ছিল শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here