ফিরে দেখা ফুটবল বিশ্বকাপ: খেলার মাঠে লাল-হলুদের মেলা!

0
97
Arunava Gupta
অরুণাভ গুপ্ত

১৯৬৬ বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা ম্যাচে জার্মান রেফারি রভলাভ ক্রেটলিন ইংল্যান্ডের ববি এবং জ্যাক চার্লটন দুই ভাইকে আইন সম্মত না খেলার জন্য সতর্ক করেন। এর পাশাপাশি আর্জেন্টিনার অ্যান্টোনিও রাটিনকে সোজা মাঠের বাইরে করে দেন। কিন্তু তাঁর গৃহীত সিদ্ধান্তর একটাও দর্শকরা জানতে পারলেন না, অন্ধকারেই রয়ে গেলেন।

ইংল্যান্ডের রেফারি কেন অ্যাস্টন মাথা খাটালেন একটা রাস্তা বের করতে হবে, যাতে কোনো ভাষা সমস্যা থাকবে না। এবং যার মাধ্যামে এটার জন্য এটা এবং ওটার জন্য সেটা, তা বোঝানো যাবে। এসে গেল ভাষাহীন রংচঙা কার্ড, তবে বোবা নয়, দেখানো মাত্র। অ্যাটেনশন-লেফট-রাইট। তবে এই রঙের উৎস সন্ধানের একটা পরিচিত গল্প আছে।

আরও পড়ুন: ফিরে দেখা ফুটবল বিশ্বকাপ: গ্রুপের শীর্ষে মরক্কো, বলল-খেতাব জিতে গেছি

red card

মাঠ ফেরত পথে বেজায় ‌ট্রাফিক জ্যাম। স্টিয়ারিংয়ে হাত, সিগন্যাল পেলেই ছুটবে, হুট করে মগজে বিদ্যুৎ খেলল-দেখো রে নয়ন মেলে। সিগন্যালের বাহার। শুরু হল হলুদ ও লাল কার্ড। হলুদে সাবধান, লালে বেরোও। চালু হয় ১৯৭০ বিশ্বকাপ মেক্সিকোতে। প্রথমবার নো রেড কার্ড, তবে হলুদ দেখেছেন ৫২ জন। অ্যাস্টন চিরবিখ্যাত।

উল্লেখ্য, কার্ডের ব্যবহার না থাকলেও খেলার মাঠে দুর্ব্যবহার বা আইন ভাঙার জন্য ম্যাচ থেকে বের করে দেওয়ার নিয়ম রয়েছে প্রথম থেকেই। ১৯৩০-এর প্রথম বিশ্বকাপে পেরুর প্লাসিদো গ্লানিন্দোকে রোমানিয়া ম্যাচে মাঠ থেকে বের করার ঘটনাটি প্রথম উদাহরণ।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here