খবর অনলাইন : তনু জাহান হত্যাকাণ্ডের পর এ বার অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নাজিমুদ্দিন সামাদের হত্যার প্রতিবাদ আছড়ে পড়ল শাহবাগের বুকে। বৃহস্পতিবার রাতে একদল দুষ্কৃতী নাজিমুদ্দিনের উপর হামলা চালায়। প্রথমে চপার দিয়ে কুপিয়ে, পরে তাকে গুলি করে পালায় দুষ্কৃতীরা।

নিহত নাজিমুদ্দিন সামাদ ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী ছিলেন। ধর্মান্ধতা এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে তিনি নিয়মিত সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোতে লেখালিখি করতেন।

ঘটনার প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা বৃহস্পতিবার সকালে ক্যাম্পাস চত্বরে বিক্ষোভ দেখায়। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি করে তারা। ঢাকার শাহবাগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মশালমিছিল করে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা। কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা ও বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের রিজার্ভ চুরির ঘটনা থেকে মানুষের দৃষ্টি সরাতে নাজিমুদ্দিন সামাদকে হত্যা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার।

লেখালিখির কারণেই নাজিমুদ্দিনকে খুন করা হয়েছে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট করে বলতে নারাজ বাংলাদেশ সরকারা। নাজিমুদ্দিনকে নিয়ে ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশে ৫ জন ব্লগারকে হত্যা করল দুষ্কৃতীরা।

তনু, নাজিমুদ্দিন-সহ সব হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে শুক্রবার বিকালে শাহবাগে সংহতি সমাবেশের ডাক দিয়েছে গণজাগরণ মঞ্চ। নাজিম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশানাল।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here