খবর অনলাইন: জাপানের পর এ বার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইকুয়েডর। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৮। ভূমিকম্পের জেরে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৪১ জনের। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানা গিয়েছে।

শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধে সাতটা নাগাদ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ইকুয়েডরের উত্তর-পশ্চিম অংশ। ভেঙে পড়ে গোয়েকুইল শহরের একটি ওভারপাস। সেই ওভারপাসের নীচে চাপা পড়ে যায় বহু যানবাহন। তীব্র  এই কম্পন নড়িয়ে দেয় রাজধানী কুইটো শহরের সরকারি ভবনগুলিকেও। আতঙ্কে শহরের মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। 

গোয়েকুইল ও রাজধানী কুইটো ছাড়াও বড়সড় ক্ষতি হয়েছে পোর্তোভিয়েজো, মান্তা, গুয়াইয়াসের। প্রচুর ঘর-বাড়ি ভেঙে পড়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের মতে, এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল উপকূলীয় শহর ম্যুসন।

এই ভূমিকম্পের পর ইকুয়েডরের ৬টি প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের। কম্পনের পর রাজধানীর একটি বড় অংশ কার্যত বিদ্যুৎহীন হয়ে যায়। এই ভুমিকম্পের পর পার্শ্ববর্তী দেশে পেরুর উপকূলে সুনামি সর্তকতা জারিই করা হয়েছে। 

দু’দিন আগেই ৬.৪ মাত্রা ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে জাপান। এ পর্যন্ত সেখানে অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার পর থেকে মাঝে মাঝেই কেঁপে উঠছে জাপান। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে পর পর দু’ বার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানায় সেখানকার কয়েক হাজার মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে অস্থায়ী আশ্রয়শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে। মাঝে মাঝে সেখানে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানাচ্ছে, প্রায় দুই লাখেরও বেশি মানুষকে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here